| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

মধ্যপ্রাচ্যের কিছু দেশ হামাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সেনা পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছে: ট্রাম্প

reporter
  • আপডেট টাইম: অক্টোবর ২২, ২০২৫ ইং | ০২:০৪:৪৪:পূর্বাহ্ন  |  ১৩৫২৬৭৭ বার পঠিত
মধ্যপ্রাচ্যের কিছু দেশ হামাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সেনা পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছে: ট্রাম্প
ছবির ক্যাপশন: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যের কিছু দেশ গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য নিজেদের বাহিনী পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর মধ্য দিয়ে গাজায় নড়বড়ে হয়ে পড়া যুদ্ধবিরতির মধ্যে হামাসকে আবারও হুমকি দিলেন তিনি।

নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ট্রাম্প লিখেছেন, ‘মধ্যপ্রাচ্য এবং মধ্যপ্রাচ্যের আশপাশের অঞ্চলের আমাদের এখনকার মহান মিত্ররা স্পষ্ট ও জোরালোভাবে বড় উৎসাহ নিয়ে আমাকে জানিয়েছেন, তাঁরা আমার অনুরোধে একটি শক্তিশালী বাহিনী নিয়ে গাজায় যাওয়ার সুযোগকে স্বাগত জানাবে। যদি তারা খারাপ আচরণ অব্যাহত রাখে এবং আমাদের সঙ্গে নিজেদের চুক্তি ভঙ্গ করে তাহলে তারা “আমাদের হামাসকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেবে”।’

কোন কোন দেশ ট্রাম্পকে গাজায় যাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে, তা তিনি প্রকাশ করেননি। তবে অঞ্চলটির বিষয়ে সাহায্য করায় ইন্দোনেশিয়ার কথা তিনি আলাদা করে উল্লেখ করেছেন।

ট্রাম্প লিখেছেন, ‘মধ্যপ্রাচ্য ও যুক্তরাষ্ট্রকে দেওয়া যাবতীয় সহায়তার জন্য আমি মহান ও শক্তিশালী দেশ ইন্দোনেশিয়ার এবং দেশটির অসাধারণ নেতাকে ধন্যবাদ জানাই।’

ইন্দোনেশিয়া ও অন্য কিছু দেশ গাজায় নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার জন্য শান্তি রক্ষাকারী সেনা পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো দেশ সরাসরি হামাসের সঙ্গে সংঘর্ষে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেনি। 

ট্রাম্প লিখেছেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের প্রতি এমন ভালোবাসা ও উদ্দীপনা গত এক হাজার বছরের আর কখনো দেখা যায়নি! এটি দেখা মতো এক অপূর্ব দৃশ্য! কিন্তু আমি এসব দেশকে এবং ইসরায়েলকে বলেছি, “এখনই তা না!” হামাস সঠিক কাজটি করবে, এখনো এমন আশা করা যায়। তারা যদি তা না করে, তাহলে দ্রুত, ক্রুদ্ধ ও নির্মমভাবে হামাসের পতন হবে।’

গত ১০ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। এরপর থেকে ইসরায়েলের হামলা গাজায় অন্তত ১০০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। 

ট্রাম্প ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসকে আগেও একাধিকবার মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র বা অন্য কোনো শক্তি এমন কী করতে পারে যা ইসরায়েল করতে পারেনি, তা স্পষ্ট নয়।

গত দুই বছরে ইসরায়েল হামাসের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের প্রায় সবাই হত্যা করেছে। পাশাপাশি গাজায় ৬৮ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে। অবরুদ্ধ উপত্যকাটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। তীব্র খাদ্যসংকট চলছে। শীর্ষ স্থানীয় কয়েকটি মানবাধিকার সংস্থা ও জাতিসংঘ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গাজায় জাতিগত নিধনের (জেনোসাইড) অভিযোগ এনেছে।


রিপোর্টার্স২৪/এমবি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪