সারাদেশে একদিনে (গত ২৪ ঘণ্টায়) হাম ও হামের উপসর্গে বারোজন মারা গেছেন। এ সময়ে নতুন করে হামে আক্রান্ত হয়েছে এবং হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে এমন শিশুর সংখ্যা ১ হাজার ৫২৪ জন।
দেশে হামের এক ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। গত মার্চের মাঝামাঝি সময় থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে ৩২ হাজারের বেশি মানুষ রোগটিতে আক্রান্ত হয়েছে এবং ২৫০ জনেরও বেশি রোগীর মৃত্যু হয়েছে, যাদের অধিকাংশই শিশু। এরমধ্যে স্বনামধন্য বিজ্ঞান সাময়িকী ‘সায়েন্স’-এর এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই মর্মান্তিক তথ্যের কারণ উঠে এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে, ড. ইউনুসের সরকারের টিকা সংগ্রহে অব্যবস্থাপনার কারণেই এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের টিকা সংগ্রহ প্রক্রিয়ায় নীতিগত পরিবর্তনের কারণে দেশব্যাপী টি
এখনকার মানুষ আগের চেয়ে বেশি ফিটনেস সচেতন। আর ফিটনেসের জন্য অনেকেই প্রতিদিন অনেক ধরনের প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খেয়ে থাকেন। ডিমের সাদা অংশ, প্রোটিন শেক, সাপ্লিমেন্টসহ নানানকিছু একদিনে খান। প্রশ্ন হলো, শরীরের জন্য কি আসলেই
স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, দেশে হামের টিকাদান কর্মসূচিতে এরইমধ্যে ৮১ শতাংশ অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। দ্রুত শতভাগ কভারেজ নিশ্চিতের লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। একইসঙ্গে ভেজাল ওষুধ ও অপচিকিৎসা রোধে সারা দেশে মোবাইল টিমের কার্যক্রম আরো জোরদার করা হবে।
গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম ও হাম সন্দেহে আরও ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (৩ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
দেশজুড়ে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে আরও ১ হাজার ৯৬ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।
বাংলাদেশে সম্প্রতি অত্যন্ত ছোঁয়াচে ও মারাত্মক ভাইরাসজনিত রোগ হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। টিকার সংকট ও টিকাদান কর্মসূচির ব্যাঘাতের কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ৩০ এপ্রিল সকাল ৮টা থেকে ১ মে সকাল ৮টা পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে আক্রান্ত হয়েছে মৃত্যু হয়েছে অন্তত চারজনের।
দেশে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চার শিশু মারা গেছে। তাদের মধ্যে দুজন ঢাকা এবং দুজন সিলেট বিভাগের। শুক্রবার (১ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, আজ সকাল আটটা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে তিন শিশুর হাম শনাক্ত হয়েছিল। হামের উপসর্গ ছিল ছয় শিশুর মধ্যে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সারা দেশে আরও ১ হাজার ২৭৬ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে।
দেশের স্বাস্থ্য খাতে সাম্প্রতিক সময়ে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ধারাবাহিক বদলি ও পদায়নকে কেন্দ্র করে। গত ২০ থেকে ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত কয়েক দিনের ব্যবধানে একাধিক প্রজ্ঞাপন জারি করে বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসকদের বদলি করা হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং হাম উপসর্গে সারাদেশে আরও চার জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হাম সন্দেহে ১ হাজার ৫৬৪ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। যা একদিনে সর্বোচ্চ। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ১৪৩ জন ও সন্দেহভাজন ১ হাজার ৪২১ জন। এ সময়ে হাম ও হাম সন্দেহে ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মারা যাওয়াদের মধ্যে একজন নিশ্চিত হামে আক্রান্ত ছিল। রোববার (২৬ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কেউ মারা যায়নি, তবে হাম উপসর্গ নিয়ে সারাদেশে আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৫ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
দেশে জলাতঙ্ক প্রতিরোধে দীর্ঘদিনের সমন্বিত কর্মসূচি এখন কার্যত স্থবির, যার প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠছে জনস্বাস্থ্যে। ২০১০ সাল থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির আওতায় ৬০টির বেশি জেলায় প্রায় ২৯ লাখ কুকুরকে টিকা দেওয়া হলেও ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অর্থসংকট ও সমন্বয়হীনতায় তা প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।
বাংলাদেশে হাম পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। পরিস্থিতি জাতীয়ভাবে ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে মূল্যায়ন করেছে সংস্থাটি।