| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

পুরো চীন অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ুক চাই না : ট্রাম্প

reporter
  • আপডেট টাইম: অক্টোবর ১৩, ২০২৫ ইং | ০৩:৩৯:১১:পূর্বাহ্ন  |  ১৪০০৮৪৯ বার পঠিত
পুরো চীন অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ুক চাই না : ট্রাম্প
ছবির ক্যাপশন: ছবি সংগৃহীত

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : চীনকে নিয়ে কোনও চিন্তা নেই। সব ঠিক হয়ে যাবে! যুক্তরাষ্ট্র চীনকে সাহায্য করতে চায়, ক্ষতি নয়—সম্প্রতি এমন বক্তব্য দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চীনের সব পণ্যে ১০০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের দু’দিনের মাথায় সুরবদল করে এমনটাই জানালেন তিনি।

শুক্রবার চীনা পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই তিনি এই নরম সুরে মন্তব্য করলেন। ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে এই বার্তা দিলেন।

এরআগে বিরল খনিজের বাণিজ্য এবং এই পণ্যের উপর চীনের রফতানি নিয়ন্ত্রণের নীতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন ট্রাম্প। ঘোষণা করেছিলেন, ১ নভেম্বর থেকে চীনের সকল পণ্যে বাড়তি ১০০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর করা হবে। কারণ, বিরল খনিজের রফতানি নিয়ে তারা যে পদক্ষেপ করেছে, তা কেউ করে না। এর পর চীনের তরফে রফতানি নিয়ন্ত্রণ নীতির ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে ট্রাম্পকে হুঁশিয়ারিও দেয় চীন। তার পরেই দেখা গেল ট্রাম্প সুর বদল করেছেন। যদিও শুল্ক প্রত্যাহারের কথা তিনি কিছু বলেননি।

রবিবার (স্থানীয় সময়) ট্রাম্প সমাজমাধ্যমে চীন নিয়ে চারটি বাক্য লিখেছেন— ‘‘চীনকে নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। সব ঠিক হয়ে যাবে। সম্মাননীয় প্রেসিডেন্ট জিনপিঙের সময় একটু খারাপ যাচ্ছিল। পুরো চীন অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ুক, এটা উনি চান না, আমিও চাই না।’’ এর পর যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ব্যাখ্যা করে ট্রাম্প লেখেন, ‘‘যুক্তরাষ্ট্র তো চীনকে সাহায্যই করতে চায়, আঘাত করতে নয়!’’

বেইজিং রফতানি নিয়ন্ত্রণ নীতি ব্যাখ্যা করে যে বিবৃতি দিয়েছিল, তাতে বলা হয়, রফতানিতে কোনও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হচ্ছে না। কিছু ক্ষেত্রে তা নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে মাত্র। চীনের আইন অনুযায়ী এই ধরনের সিদ্ধান্ত বৈধ। এবার থেকে বিরল খনিজ চীন থেকে কিনতে গেলে সংশ্লিষ্ট দেশকে একটি বৈধ লাইসেন্স সঙ্গে রাখতে হবে। সেই লাইসেন্স পাওয়াও খুব কঠিন হবে না বলে দাবি করেছে চীন প্রশাসন। তাদের বক্তব্য, সামরিক ক্ষেত্রে বিরল খনিজের ব্যবহার তারা নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে। বিশ্বে শান্তি ফেরানোর জন্য তা জরুরি। অসামরিক যে কোনও উদ্দেশ্যে এই খনিজ আমদানির আবেদন গ্রাহ্য করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্র ১০০ শতাংশ শুল্কের হুঁশিয়ারির পাল্টা দিয়েছিল চীন। বলা হয়েছিল, এটা আমেরিকার ‘দ্বিচারিতা’র নিদর্শন। যদি ১০০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্কের হুমকি কার্যকর করা হয়, তবে পাল্টা পদক্ষেপ করবে চীন। সম্ভাব্য বাণিজ্য-যুদ্ধের আশঙ্কায় তারা ভীত নয়, দাবি করেন চীনের বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের মুখপাত্র।

ট্রাম্প দ্বিতীয় বার আমেরিকায় ক্ষমতায় আসার পর থেকেই শুল্ককে হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহারের নীতি নিয়েছেন। চীনের সঙ্গে গত মে মাসে আমেরিকার শুল্ক-দ্বন্দ্ব চরমে পৌঁছেছিল। দুই তরফেই আরোপিত শুল্কের পরিমাণ ছাড়িয়ে গিয়েছিল ১০০ শতাংশের গণ্ডি। এর পর শুল্কযুদ্ধে সাময়িক বিরতি চলেছে। বর্তমানে চীনের পণ্যে ৩০ শতাংশ মার্কিন পণ্য প্রযোজ্য হয়। দু’দিন আগে ট্রাম্পের ঘোষণায় আমেরিকা-চীন শুল্কযুদ্ধ নতুন করে শুরু হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছিল। শেয়ার বাজারেও ধস নামে। তবে ট্রাম্প কিছুটা সুরবদল করলেন।

সূত্র : এনডিটিভি ও আনন্দবাজার পত্রিকা।


রিপোর্টার্স২৪/এমবি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪