| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

চাঁদপুরে এসএসসিতে পাসের হারে এগিয়ে হাইমচর, জিপিএ-৫-এ সদর

reporter
  • আপডেট টাইম: অগাস্ট ১১, ২০২৬ ইং | ০১:১৭:৩৩:পূর্বাহ্ন  |  ২৩৮ বার পঠিত
চাঁদপুরে এসএসসিতে পাসের হারে এগিয়ে হাইমচর, জিপিএ-৫-এ সদর

চাঁদপুর প্রতিনিধি: চাঁদপুরে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি), দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার ফলাফলে উপজেলাভেদে সাফল্যের চিত্রে বড় পার্থক্য দেখা গেছে। জেলায় গড় পাসের হার ৬৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

সাধারণ এসএসসিতে পাসের হারে জেলার শীর্ষে রয়েছে হাইমচর উপজেলা। আর জিপিএ-৫ পাওয়ার দিক থেকে বরাবরের মতো এগিয়ে চাঁদপুর সদর। দাখিলে পাসের হার ও জিপিএ-৫-দুই সূচকেই সাফল্যের শীর্ষে হাজীগঞ্জ। আর এসএসসি (ভোকেশনালে) পাসের হারে এগিয়ে শাহরাস্তি, জিপিএ-৫-এ হাজীগঞ্জ।

সোমবার (১০ আগস্ট) বিকেলে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল্লাহ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জেলার তিন ধারার পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

জেলা শিক্ষা কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এবার সাধারণ এসএসসিতে চাঁদপুরের ২৮৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ২১ হাজার ৬৪৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। উত্তীর্ণ হয়েছে ১৩ হাজার ৭৯৭ জন। জেলায় গড় পাসের হার ৬৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৮৫ জন।

এসএসসিতে উপজেলাভিত্তিক ফলাফলে সবচেয়ে ভালো করেছে হাইমচর। মাত্র ১৩টি প্রতিষ্ঠান থেকে ৫৮৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৪২৮ জন। পাসের হার ৭৩ দশমিক ২৯ শতাংশ। তবে জিপিএ-৫ পাওয়ার দিক থেকে অনেক এগিয়ে চাঁদপুর সদর। এ উপজেলার ৫০টি প্রতিষ্ঠান থেকে ৪ হাজার ৬০৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩ হাজার ২৭৩ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৭১ দশমিক ৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৮১ জন।

এসএসসিতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পাসের হার মতলব দক্ষিণে ৬৭ দশমিক ৩৩ শতাংশ। ফরিদগঞ্জে ৬৫ দশমিক ৭৯, হাজীগঞ্জে ৬৩ দশমিক ৫৭, মতলব উত্তরে ৫৮ দশমিক ৫১, শাহরাস্তিতে ৫৯ দশমিক ৬৮ এবং কচুয়ায় ৫৬ দশমিক ২৬ শতাংশ।

জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতেও সদর উপজেলার পর রয়েছে হাজীগঞ্জ—১৫৩ জন। এরপর ফরিদগঞ্জে ১০৩, মতলব দক্ষিণে ৯৮, শাহরাস্তিতে ৯২, কচুয়ায় ৮১, হাইমচরে ৩১ এবং মতলব উত্তরে ৪৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় জেলার ২০১টি মাদ্রাসা থেকে ৭ হাজার ৩০০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। উত্তীর্ণ হয়েছে ৪ হাজার ২০১ জন। জেলায় গড় পাসের হার ৫৭ দশমিক ৫৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯২ জন।

দাখিলে পাসের হার ও জিপিএ-৫-দুই ক্ষেত্রেই এগিয়ে হাজীগঞ্জ। এ উপজেলায় ১ হাজার ১৫১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৭৫৭ জন। পাসের হার ৬৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৪ জন।

পাসের হারে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে কচুয়া-৬৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ। এ উপজেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ জন।

অন্যদিকে দাখিলে সবচেয়ে হতাশাজনক ফল হয়েছে মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণে। মতলব উত্তরে পাসের হার মাত্র ৩৯ দশমিক ৬২ শতাংশ; কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়নি। মতলব দক্ষিণে পাসের হার ৩৯ দশমিক ৭১ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র চারজন।

দাখিলে চাঁদপুর সদরে পাসের হার ৫৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ ও জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৯ জন। ফরিদগঞ্জে পাসের হার ৫৮ দশমিক ৮০ শতাংশ, জিপিএ-৫ ১৩ জন। শাহরাস্তিতে ৫৬ দশমিক ৫ শতাংশ ও তিনজন এবং হাইমচরে ৫১ দশমিক ২৮ শতাংশ ও তিনজন জিপিএ-৫ পেয়েছে।

এদিকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় জেলার ৩১টি প্রতিষ্ঠান থেকে ১ হাজার ৭২৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। উত্তীর্ণ হয়েছে ১ হাজার ১১৯ জন। জেলায় পাসের হার ৬৪ দশমিক ৯১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৭ জন।

ভোকেশনালে পাসের হারে শীর্ষে শাহরাস্তি। এ উপজেলায় পাসের হার ৭৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ। তবে জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে সবচেয়ে এগিয়ে হাজীগঞ্জ—২১ জন।

এ ছাড়া মতলব দক্ষিণে পাসের হার ৭১ দশমিক ৭৪, হাজীগঞ্জে ৭০ দশমিক ৭৬, ফরিদগঞ্জে ৬৭ দশমিক ৩৯, মতলব উত্তরে ৬৬ দশমিক ৬৭, কচুয়ায় ৬০ দশমিক ৭৯, হাইমচরে ৫৮ দশমিক ৩৩ এবং চাঁদপুর সদরে ৫১ দশমিক ২২ শতাংশ।

ভোকেশনালে চাঁদপুর সদরে জিপিএ-৫ পেয়েছে ছয়জন, মতলব উত্তরে ছয়জন, কচুয়ায় পাঁচজন, হাইমচরে পাঁচজন, শাহরাস্তিতে দুইজন ও মতলব দক্ষিণে দুইজন। ফরিদগঞ্জে কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়নি।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪