পশ্চিমবঙ্গ প্রতিনিধি: পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিয়েছেন রাজ্যপাল আরএন রবি। এর মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১৫ বছরের আধিপত্যের অবসান হলো।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) মধ্যরাতের পরেই বিধানসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই সন্ধ্যায় রাজভবন থেকে এ সম্পর্কিত একটি চিঠি প্রকাশ করা হয়েছে।
এক লাইনের ওই আদেশে বলা হয়, ভারতের সংবিধানের ১৭৪ অনুচ্ছেদের ২ নম্বর ধারার (খ) উপধারায় প্রদত্ত ক্ষমতা বলে আমি ২০২৬ সালের ৭ মে থেকে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভেঙে দিচ্ছি।
প্রশাসনিক সূত্রের বক্তব্য, বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার অর্থ হলো সরকার আর নেই। ইস্তফা না-দিলেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার মন্ত্রিসভা এখন ‘প্রাক্তন’। তবে ‘মুখ্যমন্ত্রী’ মমতাকে বরখাস্ত করেননি রাজ্যপাল। আবার তাকে নতুন সরকারের শপথ পর্যন্ত ‘তদারকি মুখ্যমন্ত্রী’ হিসাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথাও বলেননি।
এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, তা হলে এখন রাজ্যের ভার কার হাতে? অর্থাৎ, শনিবার শপথের আগে বৃহস্পতিবার রাত এবং শুক্রবার রাজ্যের শাসনভার কার হাতে থাকছে?
গত ৪ মে পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে ২০০ এর বেশি আসনে জয় পায় বিজেপি। এর ফলে রাজ্যটিতে প্রথমবারের মতো সরকার গঠনের সুযোগ পায় হিন্দুত্ববাদী দলটি।
তবে প্রথা অনুযায়ী মমতা বন্দোপাধ্যায় রাজভবনে গিয়ে পদত্যাগ করতে অস্বীকৃতি জানান। এতে করে সেখানে সাংবিধানিক সংকট তৈরির শঙ্কা তৈরি হয়। তবে এর আগেই বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাজ্যপাল মন্ত্রিসভা ভেঙে দিয়েছেন। এখন নতুন মন্ত্রিসভা নির্বাচিত হবে এবং নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে অন্য কাউকে নির্বাচন করা হবে।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব