| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া গ্রেপ্তার

reporter
  • আপডেট টাইম: অগাস্ট ০৭, ২০২৬ ইং | ১৮:৪১:১০:অপরাহ্ন  |  ৪১৭ বার পঠিত
কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া গ্রেপ্তার

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি: নেত্রকোণায় এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের মামলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া গ্রেপ্তার হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাতে ময়মনসিংহ র‍্যাব-১৪ এর একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে।

এর আগে, মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে সপ্তম শ্রেণির ওই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে মামলা করেন ভুক্তভোগীর বাবা।

র‌্যাব-১৪ জানায়, নেত্রকোনা সদর উপজেলার বাসিন্দা রিপন মিয়া ও ভুক্তভোগী কিশোরী একই এলাকার প্রতিবেশী। রিপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট নির্মাতা হিসেবে পরিচিত। এই পরিচয়ের সুযোগ নিয়ে তিনি কিশোরীকে ভিডিও কনটেন্টে অংশ নেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ৩০ জুলাই রাত আটটার দিকে জরুরি কথা বলার কথা বলে রিপন ভুক্তভোগীকে মগড়া নদীর উত্তর পাড়ে ডেকে নেন। সেখানে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

র‌্যাব জানায়, মামলা হওয়ার পর থেকেই রিপন পলাতক ছিলেন। পরে গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এর ভিত্তিতে শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ৫ মিনিটে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থানার অচিন্তপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের জানান, আসামি এখনও থানায় পৌঁছায়নি। তাকে বুঝে পেলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

সোমবার (৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় নেত্রকোণা সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া ইউনিয়নের নন্দুরা বাজারে ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি কার্যালয়ে ওই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে এক সালিশ বৈঠক বসে।

ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ফজলুর রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি নেতা আব্দুল হাই মুন্সি, আতাউর রহমান, স্থানীয় জামায়াত নেতা জয়নাল আবেদীন ও দৌলত মিয়াসহ এলাকাবাসী বিচারে রিপন মিয়াকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা এবং এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেন। জরিমানার অর্থ পরিশোধের জন্য সাত দিনের সময়সীমাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।

তবে বিএনপি কার্যালয়ে ধর্ষণের মতো ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ সালিশ বৈঠকে নিষ্পত্তির চেষ্টা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহল। তারা এটিকে আইন হাতে তুলে নেওয়ার শামিল বলে দাবি করেছেন।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪