স্পোর্টস ডেস্ক: বল দখল ও আক্রমণে একচ্ছত্র আধিপত্য দেখিয়েও জাপানের রক্ষণ ভাঙতে প্রথমার্ধে ব্যর্থ হয় নেদারল্যান্ডস। অন্যদিকে শৃঙ্খলিত রক্ষণ ও দ্রুতগতির পাল্টা আক্রমণে ডাচদের একাধিকবার চাপে ফেলে দেয় এশিয়ার প্রতিনিধিরা। ডালাসে সোমবার (১৫ জুন) অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের ‘এফ’ গ্রুপের ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য সমতায়।
প্রথমার্ধে ৬৯ শতাংশ বল দখলে রেখে নেদারল্যান্ডস ছয়টি শট নেয়, যার মধ্যে তিনটি ছিল লক্ষ্যে। জাপান তিনটি শট নিলেও কোনোটি গোলমুখে রাখতে পারেনি। ম্যাচের শুরু থেকেই ছোট ছোট পাসে আক্রমণ গড়ে জাপানকে চাপে রাখে ডাচরা। তৃতীয় মিনিটে কোডি গাকপোর পাস থেকে ডনিয়েল মালেনের শট রুখে দেন জাপানের গোলরক্ষক।
ধীরে ধীরে ম্যাচে ফিরে আসে জাপানও। নাকামুরা ও দাইচি মায়েদাকে ঘিরে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে কয়েকবার বিপদ তৈরি করে তারা। ২৮তম মিনিটে হিরোকি ইতো দূরপাল্লার শট নিলেও লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। প্রথমার্ধের শেষ দিকে উভয় দলই একাধিক সুযোগ পেলেও গোলের দেখা মেলেনি।
বিরতির পর ৫০তম মিনিটে অধিনায়ক ভার্জিল ভ্যান ডাইকের গোলে এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। রায়ান গ্রাভেনবার্খের ক্রসে দারুণ হেডে গোল করেন তিনি। তবে ৫৬তম মিনিটে তাকেফুসা কুবোর অ্যাসিস্ট থেকে দুর্দান্ত শটে সমতা ফেরান নাকামুরা।
এরপর ৬৩তম মিনিটে ক্রিসেনসিও সামারভিলের নিখুঁত ফিনিশিংয়ে আবারও এগিয়ে যায় ডাচরা। ওয়েস্ট হ্যামের এই উইঙ্গার ডান প্রান্ত থেকে ভেতরে কেটে বাম নিচের কোণে শট নেন।
তবে ম্যাচের শেষভাগে টানা কর্নার থেকে চাপ বাড়িয়ে ৮০ মিনিটের পর সমতায় ফেরে জাপান। জুনিয়া ইতোর কর্নার থেকে কোকি ওগাওয়ার হেড কামাদার গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়ায়।
দুইবার পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত লড়াই করে ম্যাচে ফিরে আসে জাপান। শেষ পর্যন্ত রোমাঞ্চকর এই ম্যাচ ২-২ গোলে ড্র হয়।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি