| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

হত্যা মামলার আসামি ফেনীর নতুন এসপি

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ০৭, ২০২৬ ইং | ০৭:২৩:২৫:পূর্বাহ্ন  |  ৬৪০৯ বার পঠিত
হত্যা মামলার আসামি ফেনীর নতুন এসপি

ফেনী প্রতিনিধি: যুবদল নেতা হত্যা ও গুমের দুটি মামলার আসামি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) উপ-কমিশনার মোহাম্মদ মাহবুব আলম খানকে ফেনীর নতুন পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে পদায়ন করায় ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তার নিয়োগ বাতিল এবং আইনের আওতায় আনার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে লিখিত আবেদনও করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে তাকে ফেনীর এসপি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর পরদিন বুধবার (৬ মে) ভুক্তভোগী পরিবারের এক সদস্য তার পদায়নের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে দীর্ঘ আট বছর চাঁপাইনবাবগঞ্জে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাহবুব আলম খান। সে সময় বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের ওপর দমন-পীড়ন, নির্যাতন ও রাজনৈতিক হয়রানির অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে।

তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সবচেয়ে আলোচিত মামলাগুলোর একটি হলো শিবগঞ্জের যুবদল কর্মী মিজানুর রহমান হত্যা ও তার ভাই ছাত্রদল নেতা রেজাউল করিম গুমের ঘটনা। ২০১৭ সালে পুলিশের কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন মিজান। পরে ২০২৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর নিহতের বাবা আইনাল হক শিবগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। ওই মামলায় মাহবুব আলম খানকে ১০ নম্বর আসামি করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৬ সালে ছাত্রদল নেতা সেতাউর রহমানকে না পেয়ে তার ভাই মিজানকে আটক করে পুলিশ। পরে মুক্তির জন্য মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়। একই সময়ে আরেক ভাই রেজাউল করিমকেও তুলে নেওয়া হয়। দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকার পর মিজান নিহত হন, তবে রেজাউলের এখনো কোনো সন্ধান মেলেনি।

এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ও গুম কমিশনেও অভিযোগ জমা দিয়েছে পরিবার। এছাড়া ২০২৪ সালের অক্টোবরে ফিরোজ আহমেদ নামে আরেক ব্যক্তি পৃথক হত্যা মামলায় মাহবুব আলম খানকে আসামি করেন।

নিহতের ভাই ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সেতাউর রহমান বলেন, “আমাদের পরিবার ধ্বংস করে দেওয়া একজন কর্মকর্তাকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। আমরা এর বিচার চাই।”

মানবাধিকার আইনজীবী অ্যাডভোকেট জিয়া হাবিব আহসান বলেন, ফৌজদারি মামলার এমন একজন আসামিকে জেলার পুলিশ প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া আইন ও ন্যায়বিচারের প্রশ্ন তোলে।

তবে মাহবুব আলম খান দাবি করেছেন, একটি মামলায় তাকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে এবং অন্য মামলার সময় তিনি প্রশিক্ষণে ছিলেন। যথাযথ প্রমাণ দিলে সেখান থেকেও অব্যাহতি পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

রিপোর্টার্স২৪/বাবি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪