রিপোর্টার্স২৪ডেস্ক: দাসত্ব ও শোষণ নির্মূলে জোরদার বৈশ্বিক উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বুধবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ-এ ‘আন্তর্জাতিক দাসত্ব ও ট্রান্স-আটলান্টিক দাস বাণিজ্যের শিকারদের স্মরণে’ আয়োজিত স্মারক সভায় এ আহ্বান জানান।
তিনি দাসত্ব ও ট্রান্স-আটলান্টিক দাস বাণিজ্যের লাখো শিকারদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং স্বাধীনতা ও ন্যায়ের জন্য সংগ্রামরত মানুষের অদম্য সাহসিকতার প্রশংসা করেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, ট্রান্স-আটলান্টিক দাস বাণিজ্য মানবজাতির ইতিহাসে এক স্থায়ী কলঙ্ক হয়ে রয়েছে।
দাসত্ব, বর্ণবাদ, গণহত্যা এবং সব ধরনের নিপীড়নের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের অটল অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, দেশের সংবিধান সাম্রাজ্যবাদ, উপনিবেশবাদ, বর্ণবাদ ও বৈষম্যকে প্রত্যাখ্যান করে এবং নিপীড়িত জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে।
তিনি আরও বলেন, ১৯২৬ সালের দাসত্ববিষয়ক কনভেনশন এবং প্রায় ৮০ বছর আগে গৃহীত মানবাধিকার সনদে দাসত্বকে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হলেও এর প্রভাব এখনও সমাজ, অর্থনীতি ও রাজনৈতিক কাঠামোয় বিদ্যমান।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী মানব পাচার প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ, ডিজিটাল ফরেনসিক সমন্বয় জোরদার এবং দাসত্ব ও দাস বাণিজ্যের মানবিক ও সভ্যতাগত ক্ষতি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে শিক্ষা ও সংলাপে বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এমন একটি বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান জানান, যেখানে দাসত্ব, বৈষম্য ও অন্যায়ের কোনো স্থান থাকবে না এবং মানব মর্যাদা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।
আপনি চাইলে আমি এই রিপোর্টের জন্য আকর্ষণীয় ৫–৬টি শিরোনাম বা সংক্ষিপ্ত অনলাইন ভার্সনও তৈরি করে দিতে পারি।বাসস
রিপোর্টার্স২৪/এসসি