| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

মোদির আলিঙ্গন ‘বিশেষ’, ভারত-ইসরায়েল সম্পর্কের প্রতীক: নেতানিয়াহু

reporter
  • আপডেট টাইম: ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০২৬ ইং | ০১:৩৭:৪০:পূর্বাহ্ন  |  ৬১৪১৬২ বার পঠিত
মোদির আলিঙ্গন ‘বিশেষ’, ভারত-ইসরায়েল সম্পর্কের প্রতীক: নেতানিয়াহু
ছবির ক্যাপশন: ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আন্তর্জাতিক কূটনীতি এবং শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্রপ্রধানদের মধ্যে সৌহার্দ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-এর আলিঙ্গন কৌশল ‘মোদি হাগ’ বিশ্বমঞ্চে পরিচিত হয়ে উঠেছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সম্প্রতি প্রকাশ্যে এই আলিঙ্গনের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, মোদির ব্যক্তিগত আলিঙ্গন শুধু আন্তরিকতার প্রতীক নয়, বরং ভারত-ইসরায়েল সম্পর্কের গভীর বন্ধুত্ব ও আস্থারও প্রতিফলন।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, নেতানিয়াহু মোদির সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যকার বন্ধুত্বকে ‘বিস্ময়কর’ বলে অভিহিত করেছেন। ইসরায়েল সফরে মোদির আগমনের সময় তাদের মধ্যে যে উষ্ণ আলিঙ্গনের মুহূর্ত ঘটেছিল, নেতানিয়াহু সেই দৃশ্যও স্মরণ করেন। তার ভাষ্য, প্রধানমন্ত্রী মোদির আলিঙ্গন অভিনব ও স্বাভাবিক—এটি কৃত্রিম নয়। তিনি বলেন, নেসেটের প্রতিটি সদস্যের পক্ষ থেকে আমি সেই আলিঙ্গন ফিরিয়ে দিতে চাই। এটি শুধু আমাদের ব্যক্তিগত বন্ধুত্বের প্রতীক নয়, বরং আমাদের দুই দেশের জনগণের সম্পর্কের উষ্ণতাও প্রকাশ করে।

বিশ্ব কূটনীতিতে সাধারণত প্রথাগত করমর্দন বা আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা বিনিময়ই দেখা যায়। তবে প্রধানমন্ত্রী মোদি বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলিঙ্গনের মাধ্যমে শুভেচ্ছা বিনিময় করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্বতন্ত্র পরিচিতি তৈরি করেছেন। কূটনীতিবিদদের মতে, এই আলিঙ্গন কৌশল ব্যক্তিগত এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করে।

এবারের সফরে প্রধানমন্ত্রী মোদি ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে ভাষণ দিয়েছেন। কোনো ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি প্রথমবারের মতো এই ইসরায়েলি পার্লামেন্টে ভাষণ দিয়েছেন। ভাষণে মোদি সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যৌথ লড়াইয়ের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং দুই দেশের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা খাতের সহযোগিতার গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

এর আগে ২০১৭ সালে মোদি প্রথমবারের মতো ইসরায়েল সফর করেন। ওই সফরে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা, কৃষি, পানি ব্যবস্থাপনা এবং প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়। বিমানবন্দরেও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু মোদিকে ব্যক্তিগতভাবে স্বাগত জানান। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, মোদির এই আলিঙ্গন কৌশল কেবল ব্যক্তিগত সম্পর্ক নয়, দ্বিপাক্ষিক কূটনীতি এবং রাজনৈতিক দৃঢ়তারও প্রতীক।

মোদির ‘আলিঙ্গন কূটনীতি’ এখন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এবং কূটনৈতিক মহলে একটি স্বতন্ত্র পরিচয় হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছে। এই সফরের মধ্য দিয়ে দেখা গেছে, সাধারণ আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা নয়, ব্যক্তিগত আন্তরিকতা এবং সৎ সম্পর্ক কূটনীতিতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

রিপোর্টার্স২৪/বাবি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪