| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

নয়াদিল্লির ইতিবাচক বার্তা: তারেক রহমানের শপথে আসছেন লোকসভার স্পিকার ও পররাষ্ট্র সচিব

reporter
  • আপডেট টাইম: ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০২৬ ইং | ১৬:০৮:৪৪:অপরাহ্ন  |  ৬৮৪৮৮৪ বার পঠিত
নয়াদিল্লির ইতিবাচক বার্তা: তারেক রহমানের শপথে আসছেন লোকসভার স্পিকার ও পররাষ্ট্র সচিব
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত

আশিস গুপ্ত,দিল্লি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে নয়াদিল্লির প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিসরি। 

গত শনিবার সন্ধ্যায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে এই অনুষ্ঠানে যোগদানের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হলেও, একই দিনে মুম্বাইয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ-র সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত বৈঠকের কারণে তিনি ঢাকা সফরে আসতে পারছেন না। ভারতের পক্ষ থেকে লোকসভার স্পিকার এবং শীর্ষ কূটনীতিককে পাঠানোর এই সিদ্ধান্তটি সাম্প্রতিক অস্থিরতা কাটিয়ে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনর্গঠনে নয়াদিল্লির ইতিবাচক সদিচ্ছার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। 

২০২৪ সালে গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এই প্রথম অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে বিএনপি ৩০০ আসনের মধ্যে ২০০-এর বেশি আসনে জয়লাভ করে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে, যা লন্ডনে ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে ফেরা তারেক রহমানের রাষ্ট্রক্ষমতায় বসার পথ সুগম করেছে। 

আগামী মঙ্গলবার সকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের অধীনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন এবং সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তারেক রহমানের নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য ভারত ছাড়াও চীন, পাকিস্তান, সৌদি আরব, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ ও ভুটানসহ মোট ১৩টি দেশের নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। 

বিএনপির বৈদেশিক বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এই উদ্যোগকে আঞ্চলিক কূটনীতিতে অগ্রাধিকার দেওয়ার একটি "শুভেচ্ছা নিদর্শন" হিসেবে অভিহিত করে জানিয়েছেন যে, দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলকে একটি প্রভাবশালী অঞ্চলে পরিণত করা তারেক রহমানের বৈদেশিক নীতির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। 

উল্লেখ্য যে, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরপরই গত ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রথম বিদেশি নেতা হিসেবে নরেন্দ্র মোদী সরাসরি তারেক রহমানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন এবং বিএনপির এই বিজয়কে তাঁর নেতৃত্বের প্রতি জনআস্থার প্রতিফলন হিসেবে বর্ণনা করেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সেই অভিনন্দন বার্তা এবং শপথ অনুষ্ঠানে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল পাঠানোর বিষয়টি ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যকার সম্পর্কের আগামী দিনগুলোতে এক নতুন আশাবাদের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪