রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)-এর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার হাদির হত্যাকাণ্ড নিয়ে কেন্দ্রীয় বিতর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক উত্থাপন করেছেন। তিনি বলেছেন, শহীদ ওসমান হাদির হত্যায় বারবার এক ভুল হচ্ছে খুনি এবং শুটারকে এক করে দেখা। কিন্তু এই দুই ভিন্ন বিষয়। প্রকৃত হত্যাকারী, অর্থাৎ হুকুমদাতা কে এটাই আসল অমীমাংসিত প্রশ্ন।
সোমবার (৯ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি হাদির হত্যাকাণ্ড নিয়ে মতামত প্রকাশ করেন। পোস্টে তিনি লিখেছেন, প্রথমত কোনো হত্যাকাণ্ডে যিনি ট্রিগার টানেন, তিনি সবসময় প্রকৃত খুনি নন। সে হতে পারে একজন ভাড়াটে, ব্যবহারকৃত ব্যক্তি বা পুরো পরিকল্পনার সবচেয়ে নিচের স্তরের অংশগ্রহণকারী। কিন্তু হত্যার সিদ্ধান্ত কে নিয়েছে, পরিকল্পনা কে করেছে, নির্দেশ কে দিয়েছে প্রকৃত দায় সেখানে।
সালাহউদ্দিন আরও বলেন, শুটারকে আটক করার এই বয়ানে কি সত্যিই হত্যার মূল পরিকল্পনাকারীর কোনো আলোচনা আছে? হাদির খুনি সেই ব্যক্তি বা গোষ্ঠী, যে হত্যার হুকুম দিয়েছে। যে পুরো অপারেশন পরিকল্পনা করেছে এবং জানত কেন এই হত্যা দরকার।
তিনি লক্ষ্য করেছেন, মিডিয়া, রাজনৈতিক বক্তব্য বা সরকারি বয়ান কোথাও স্পষ্টভাবে হুকুমদাতা বা মাস্টারমাইন্ড নিয়ে কোনো বাস্তব অনুসন্ধান বা অনুমান পাওয়া যায়নি। তার মতে, আসল প্রশ্ন এখনও অমীমাংসিত রয়েছে হাদির শুটারের চেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, হাদির হত্যার হুকুমদাতা কে? পরিকল্পনাকারী কে? কার স্বার্থে এই হত্যা ঘটানো হয়েছিল?
সালাহউদ্দিন আম্মার মনে করেন, এই প্রশ্নগুলোর উত্তর ছাড়া কোনো তদন্তই পূর্ণ হবে না। তিনি বলেন, শুটারদের জীবিত দেশে ফিরিয়ে এনে হাদির হত্যার পেছনের পুরো প্রেক্ষাপট সামনে আনা জরুরি, যাতে বোঝা যায় কেন এবং কার স্বার্থে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম