| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

পিলখানার ঘটনা ছিল সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার অপপ্রয়াস: প্রধানমন্ত্রী

reporter
  • আপডেট টাইম: ফেব্রুয়ারী ২৫, ২০২৬ ইং | ২০:৩৯:২৩:অপরাহ্ন  |  ৬১৩৭৫২ বার পঠিত
পিলখানার ঘটনা ছিল সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার অপপ্রয়াস: প্রধানমন্ত্রী
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত

স্টাফ রিপোর্টার: পিলখানায় ২০০৯ সালের বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডকে দেশের সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার অপপ্রয়াস হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীতোরেক রহমান। তিনি বলেছেন, ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণ করা জাতীয় দায়িত্ব; অন্যথায় ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ক্ষমা করবে না।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) শহীদ দিবস উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসে আয়োজিত শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রধান, ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা এবং মহাপরিচালক, বিজিবি উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রধানমন্ত্রী সবার সঙ্গে ইফতারে অংশ নেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পিলখানার মর্মান্তিক ঘটনা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোর দুর্বলতাকে সামনে এনেছিল। তাই বহির্বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও আধুনিক, সময়োপযোগী ও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

তিনি শহীদ পরিবারের কল্যাণে তাঁদের সন্তানদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী মহান মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের গণআন্দোলন এবং চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শাহাদাতবরণকারী সকল শহীদকে স্মরণ করেন। একইসঙ্গে ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় নিহত ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

তিনি বলেন, ২৫ ফেব্রুয়ারি জাতির ইতিহাসে এক রক্তাক্ত দিন। ১৭ বছর পেরিয়ে গেলেও সেই ক্ষত আজও বহমান। বনানী সামরিক কবরস্থানে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের কবরে শ্রদ্ধা জানানোর অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই অনেক পরিবার বিচার ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতির প্রত্যাশায় রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সেনাবাহিনী বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ও স্বাধীনতা-পরবর্তী রাষ্ট্রগঠনে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রেখেছে। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণার সময় তৎকালীন ইপিআর সদস্যরা সেনাবাহিনীর সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীকালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে সুসংগঠিত করতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সাংগঠনিক সংস্কারের উদ্যোগ নেন।

তিনি বলেন, দেশের প্রশ্নে আমরা সীমান্ত বাহিনীকে আরও আধুনিক ও সুসংহত করব। আমাদের সদস্যরা দেশপ্রেম ও পেশাগত উৎকর্ষতায় সীমান্তে দায়িত্ব পালন করবেন।

রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে দোয়া প্রার্থনা করেন।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪