সিনিয়র রিপোর্টার: শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে যমুনার সামনে বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালানো হয়নি এবং তাদের ছত্রভঙ্গ করতে কোনো ধরনের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করা হয়নি বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
শুক্রবার এক বিবৃতিতে সরকার জানায়, যমুনা ও আশপাশের এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও শুরুতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী কোনো বলপ্রয়োগ করেনি। তবে আজ (শুক্রবার) বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে এবং একপর্যায়ে জলকামানের ওপর উঠে পড়লে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়। এ সময় কোনো ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা হয়নি বলে সরকার দাবি করেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে এ ঘটনায় কোনো lethal weapon ব্যবহার করা হয়নি। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নেওয়া ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ মোট ২৩ জনের শরীরে গুলির আঘাত পাওয়া যায়নি বলে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন।
সরকার আরও জানায়, জনশৃঙ্খলা ও প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যমুনা ও সংলগ্ন এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ রয়েছে। সে অনুযায়ী পুলিশ আইনানুগভাবেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেয়।
বিবৃতিতে পুনর্ব্যক্ত করে বলা হয়, শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। এ বিষয়ে জাতিসংঘের অধীনে তদন্ত পরিচালনার আইনগত দিক পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি সংশ্লিষ্ট জাতিসংঘ সংস্থার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠানো হবে।
আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে সংবেদনশীল এই সময়ে সবাইকে ধৈর্য, সংযম ও দায়িত্বশীল আচরণ বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে সরকার বলেছে, একটি শান্তিপূর্ণ, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি