| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

৪১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা জামায়াতের

reporter
  • আপডেট টাইম: ফেব্রুয়ারী ০৪, ২০২৬ ইং | ২০:২৪:৫০:অপরাহ্ন  |  ৭৯৩০৬৪ বার পঠিত
৪১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা জামায়াতের
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত

সিনিয়র রিপোর্টার: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ৪১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। রাষ্ট্র সংস্কার, সুশাসন ও আত্মনির্ভর বাংলাদেশের রূপরেখাকে সামনে রেখে দলটি তাদের ইশতেহারের নাম দিয়েছে ‘জনতার ইশতেহার’।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনে ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

রাষ্ট্র পরিচালনায় যুবকদের প্রাধান্য, নারীর নিরাপত্তা, প্রযুক্তিনির্ভর সমাজ গঠন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপসহ ২৬টি খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে এই ৪১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।

ইশতেহারে যে ২৬ বিষয়ে অগ্রাধিকার দেবে জামায়াতে ইসলামী

১. ‘জাতীয় স্বার্থে আপসহীন বাংলাদেশ’ স্লোগানের আলোকে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থে আপসহীন রাষ্ট্র গঠন।

২. বৈষম্যহীন, ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।

৩. যুবকদের ক্ষমতায়ন এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় তাদের প্রাধান্য নিশ্চিত করা।

৪. নারীদের জন্য নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক রাষ্ট্র গঠন।

৫. আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন করে চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসমুক্ত নিরাপদ রাষ্ট্র বিনির্মাণ।

৬. সকল পর্যায়ে সৎ নেতৃত্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মাধ্যমে দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠন।

৭. প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক ও স্মার্ট সমাজ প্রতিষ্ঠা।

৮. প্রযুক্তি, ম্যানুফ্যাকচারিং, কৃষি ও শিল্প খাতে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি; সরকারি চাকরিতে বিনামূল্যে আবেদন ও মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করা।

৯. ব্যাংকসহ আর্থিক খাতে সংস্কারের মাধ্যমে আস্থা ফিরিয়ে এনে বিনিয়োগ ও ব্যবসাবান্ধব স্বচ্ছ অর্থনীতি গঠন।

১০. সমানুপাতিক (পিআর) পদ্ধতির নির্বাচনসহ সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা শক্তিশালী করা।

১১. রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সংঘটিত খুন, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করা।

১২. জুলাই বিপ্লবের ইতিহাস সংরক্ষণ, শহীদ পরিবার ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের পুনর্বাসন এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়ন।

১৩. কৃষিতে প্রযুক্তির ব্যবহার ও কৃষকদের সহযোগিতা বাড়িয়ে কৃষি বিপ্লব সাধন।

১৪. ২০৩০ সালের মধ্যে ভেজালমুক্ত খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং ‘তিন শূন্য ভিশন’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে সবুজ ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়া।

১৫. ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের বিকাশের পাশাপাশি ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠা এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা।

১৬. শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, জীবনমান উন্নয়ন এবং বিশেষ করে নারীদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা।

১৭. প্রবাসীদের ভোটাধিকারসহ সকল অধিকার নিশ্চিত এবং রাষ্ট্র গঠনে তাদের বাস্তবসম্মত অংশগ্রহণ।

১৮. সংখ্যাগুরু-সংখ্যালঘু বিভাজন নয়, সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ সুবিধা।

১৯. আধুনিক ও সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা প্রদান এবং গরিব ও অসহায়দের জন্য পর্যায়ক্রমে বিনামূল্যে চিকিৎসা।

২০. সমসাময়িক বিশ্বের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষাব্যবস্থার মৌলিক সংস্কার এবং পর্যায়ক্রমে বিনামূল্যে শিক্ষা।

২১. দ্রব্যমূল্য জনগণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখা এবং মৌলিক চাহিদার নিশ্চয়তা।

২২. যাতায়াতব্যবস্থার আমূল সংস্কার করে রাজধানী ও বিভাগীয় শহরগুলোর দূরত্ব দুই-তিন ঘণ্টায় নামিয়ে আনা।

২৩. নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য স্বল্পমূল্যে আবাসন নিশ্চিত করা।

২৪. ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার পূর্ণ বিলোপ এবং পুনর্জন্ম রোধে চলমান বিচার ও সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখা।

২৫. সর্বজনীন সামাজিক নিরাপত্তাব্যবস্থা চালু করে নিরাপদ কর্মজীবন ও আন্তর্জাতিক মানের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

২৬. সকল পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে সুখী ও সমৃদ্ধ কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪