কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: কুষ্টিয়ার কুমারখালী রেলস্টেশনে বেনাপোল এক্সপ্রেস ও সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে রেলস্টেশনে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে কুমারখালীর সর্বস্তরের জনগণ।
আজ (১১ মে) সকাল ১০টার দিকে কুমারখালী রেলস্টেশন এলাকায় শতাধিক জনগণ এই সমাবেশে অংশ নিয়ে প্রতিবাদ জানান। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে আন্দোলনকারীরা অবরোধ তুলে নেন।
সমাবেশে বক্তারা জানান, কুমারখালী শিল্পসমৃদ্ধ এবং পর্যটন এলাকা। এখানকার তাঁত ও বস্ত্রশিল্প জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রসিদ্ধ। এখানে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ি, বাউল সম্রাট লালন শাহের আখড়াবাড়ি, বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেনের বসতভিটা ও মিউজিয়াম, গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কাঙাল হরিনাথ মজুমদারের বাড়ি অবস্থিত।
বক্তারা আরও বলেন, এখানে ব্যবসায়িক কারণে ও পর্যটক হিসেবে দেশ-বিদেশের লাখ লাখ মানুষ আসা-যাওয়া করেন। কিন্তু দুঃখের বিষয়, যাতায়াতের কোনো সুব্যবস্থা নেই। অনেক মানুষ যাতায়াতের জন্য দুর্ভোগের শিকার হন। সে কারণে খুলনা থেকে ঢাকাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ও বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেন দুটির যাত্রাবিরতির দাবি জানান তারা।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘ডিসি স্যারের সঙ্গে সচিব স্যার ও ডিজি মহোদয়ের কথা হয়েছে। আজই (সোমবার) ফাইল পুটআপ হয়েছে। আগামী ২৭ জুনের মধ্যে এখানে একটি ট্রেন থামবে।’
রিপোর্টার্স২৪/এসএন