স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর পশ্চিম তেজতুরী বাজারে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রহিম ওরফে শুটার রহিমকে পাঁচদিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৩৩ ফেব্রুয়ারি) তাকে আদালতে উঠিয়ে সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করলে পাচঁদিনের রিমান্ড মঞ্চুর করেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান।
আদাতলে রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের পরিদর্শক মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। আর রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর শামছুদ্দোহা সুমন।
এরআগে গত ২৩ জানুয়ারি ভোরে নরসিংদী থেকে আবদুর রহিমকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আদালতে তার রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, একই মামলায় এরআগে গ্রেপ্তার হওয়া শুটার জিন্নাত আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে সে জানায় যে, রহিমই ভিকটিমকে গুলি করে। এছাড়া সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করেও ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। এ কারণে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে সাতদিনের রিমান্ড প্রয়োজন। পরে আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে বিচারক পাঁচদিনের রিমান্ডের আদেশ দেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
গত ৭ জানুয়ারি তেঁজগাওয়ের পশ্চিম তেজতুরী বাজার এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মুছাব্বিরসহ দুজন গুলিবিদ্ধ হন। ওইদিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে তেজতুরী বাজারের হোটেল সুপার স্টারের পাশের গলিতে ওই ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলে মুছাব্বিরকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
পরদিন নিহতের স্ত্রী সুরাইয়া বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ৪ থেকে ৫ জনকে আসামি করে তেজগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচজকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্র জানায়, মুছাব্বিরকে (৪৪) হত্যার নির্দেশ দেন দীলিপ ওরফে ‘বিনাশ’ নামের এক শীর্ষ সন্ত্রাসী। সে দেশের বাইরে থেকে নির্দেশ দেন। মূলত আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজি নিয়ে বিরোধের কারণে মুছাব্বিরকে হত্যা করা হয়।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব