| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

হাদি হত্যা মামলায় রুবেলের দায় স্বীকার

reporter
  • আপডেট টাইম: ফেব্রুয়ারী ০১, ২০২৬ ইং | ২১:৩৩:৩৩:অপরাহ্ন  |  ৭৯৬৪৮৪ বার পঠিত
হাদি হত্যা মামলায় রুবেলের দায় স্বীকার
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত ছবি

সিনিয়র রিপোর্টার: ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর বন্ধু রুবেল আহমেদ আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুর রহমান তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) আদালত সূত্রে জানা গেছে, রিমান্ড শেষে শনিবার রুবেলকে আদালতে হাজির করা হলে তিনি স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিতে সম্মতি জানান। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার আবদুর কাদির ভূঁঞা তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন। আদালত আবেদন মঞ্জুর করলে জবানবন্দি গ্রহণ শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এর আগে গত ২১ জানুয়ারি মধ্যরাতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আটি নয়াবাজার এলাকা থেকে ডিবি পুলিশের সহায়তায় রুবেলকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। পরদিন ২২ জানুয়ারি প্রথম দফায় তার ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। পরে বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দ্বিতীয় দফায় আরও তিন দিনের রিমান্ড দেওয়া হয়।

মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে জুমার নামাজ শেষে নির্বাচনী প্রচারণা শেষ করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যাওয়ার পথে শরিফ ওসমান হাদি অটোরিকশায় করে রওনা দেন। দুপুর আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটে পল্টন মডেল থানাধীন বক্স কালভার্ট এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলে থাকা দুর্বৃত্তরা হত্যার উদ্দেশে তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাদিকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা গেলে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপ নেয়।

তদন্ত শেষে গত ৬ জানুয়ারি গোয়েন্দা পুলিশ সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি ও ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। তবে ডিবির দেওয়া অভিযোগপত্রে অসন্তোষ প্রকাশ করে গত ১৫ জানুয়ারি ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের আদালতে নারাজি আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করে অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন। আগামী ২৫ জানুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে যাদের আসামি করা হয়েছে তারা হলেন প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ, তার বাবা মো. হুমায়ুন কবির, মা হাসি বেগম, স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ শিপু, বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা, মো. কবির, মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, ভারতে পালাতে সহায়তার অভিযোগে সিবিয়ন দিউ, সঞ্জয় চিসিম, মো. আমিনুল ইসলাম ওরফে রাজু এবং অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার মো. ফয়সাল ও মো. আলমগীর হোসেন ওরফে আলমগীর শেখ। এ ছাড়া সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পীসহ ভারতে পালাতে সহায়তাকারী ফিলিপ স্নাল, মুক্তি মাহমুদ ও জেসমিন আক্তারকেও আসামি করা হয়েছে।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪