| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

দিল্লিতে সিইসির পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ, আটক পাঁচ শতাধিক

reporter
  • আপডেট টাইম: অক্টোবর ০২, ২০২৬ ইং | ১৬:৫৬:৩১:অপরাহ্ন  |  ৯৪৬ বার পঠিত
দিল্লিতে সিইসির পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ, আটক পাঁচ শতাধিক

 ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে ডাকা বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিক্ষোভস্থলে যাওয়ার পথে পাঁচ শতাধিক আন্দোলনকারীকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ।

আটক ব্যক্তিদের মধ্যে আম আদমি পার্টির (এএপি) নেতা সৌরভ ভরদ্বাজ, অতিশী ও সঞ্জয় সিংসহ বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের কর্মী-সমর্থক রয়েছেন।

অশোকা রোড থেকে যন্তর মন্তরের দিকে যাওয়ার সময় তাদের আটক করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নয়াদিল্লি জেলায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে। এর আওতায় অনুমতি ছাড়া জমায়েত ও বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এআইএসএ, এসএফআই ও ডিওয়াইএফআইসহ বিভিন্ন ছাত্র ও যুব সংগঠন গান্ধী জয়ন্তীর দিন এই কর্মসূচির ডাক দেয়। নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম, ভোটার তালিকা ব্যবস্থাপনা এবং বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর কার্যক্রম নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে দেশটিতে বিভিন্ন সংগঠন প্রতিবাদ করে আসছে।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, ২ অক্টোবর যন্তর মন্তরে প্রস্তাবিত বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়া হয়নি। কর্মসূচিকে ঘিরে যন্তর মন্তরমুখী বিভিন্ন সড়কে ব্যারিকেডও বসানো হয়েছে।

এদিকে, মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে একই দিনে পৃথক ‘জেল ভরো আন্দোলন’-এর ঘোষণা দিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। বিকেল ৪টায় এ কর্মসূচি পালনের কথা রয়েছে।

এর আগে, সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সিজেপির প্রস্তাবিত বিক্ষোভের অনুমতি মুম্বাই পুলিশ দেয়নি বলে জানিয়েছিলেন দীপকে। পরে গান্ধী জয়ন্তীর দিন ‘জেল ভরো আন্দোলন’ আয়োজনের ঘোষণা দেন তিনি।

তবে মুম্বাই পুলিশ জানিয়েছে, ২০১৩ সালের বোম্বে হাইকোর্টের একটি আদেশের কারণে শিবাজি পার্কে এ ধরনের জমায়েতের অনুমতি দেওয়ার ক্ষমতা পুলিশের নেই। একই সঙ্গে এলাকাটি ‘নীরব এলাকা’ বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার আহ্বান অতিশীর

বৃহস্পতিবার এএপি বিধায়ক ও দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অতিশী সাধারণ মানুষকে শুক্রবার সকাল ১০টায় যন্তর মন্তরে পৌঁছানোর আহ্বান জানান।

ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার পর ভারতীয়রা যে গুরুত্বপূর্ণ অধিকার পেয়েছিলেন, তার মধ্যে ভোট দেওয়ার অধিকার অন্যতম। জনগণ এই অধিকারের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিনিধি ও সরকার বেছে নিতে পারে।

অতিশীর অভিযোগ, প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের মাধ্যমে বিজেপি সেই অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। ভোটাধিকার হুমকির মুখে পড়লে গণতন্ত্রও হুমকির মুখে পড়বে বলে দাবি করেন তিনি।

এএপি সাংসদ সঞ্জয় সিংও বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তার অভিযোগ, এসআইআরের নামে ভোটার তালিকা থেকে ১ কোটি ৩৭ লাখ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

তবে নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম ও এসআইআর নিয়ে বিরোধীদের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪