| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

‘ট্রান্সজেন্ডার বিয়ে’ নিয়ে হাইকোর্টের রুল

reporter
  • আপডেট টাইম: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬ ইং | ২১:২২:২৯:অপরাহ্ন  |  ৩৪২ বার পঠিত
‘ট্রান্সজেন্ডার বিয়ে’ নিয়ে হাইকোর্টের রুল

স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে গত জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত একটি বিয়েকে কেন্দ্র করে অন্য ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) নম্বর ব্যবহার ও পরিচয় জালিয়াতির অভিযোগের তদন্ত চেয়ে করা রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলটি জারি করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আহসান ও অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল।

কী অভিযোগ

রিটে দাবি করা হয়েছে, ‘শিশির বিশ্বাস’ নামে মন্দির কর্তৃপক্ষকে দেওয়া এনআইডির নম্বরটি প্রকৃতপক্ষে মো. জাহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির। অন্যের এনআইডি নম্বর ব্যবহার করে নাম, ছবি, পিতা-মাতার নাম ও জন্মতারিখ পরিবর্তনের মাধ্যমে ‘শিশির বিশ্বাস’ নামে ভুয়া পরিচয়পত্র তৈরি করা হয়ে থাকতে পারে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এসব অভিযোগ তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, বিষয়টি শুধু কথিত ‘ট্রান্সজেন্ডার বিয়ে’কে ঘিরে নয়; অন্য ব্যক্তির এনআইডি নম্বর ব্যবহার করে ভুয়া পরিচয় তৈরির অভিযোগও এর সঙ্গে জড়িত। তার ভাষ্য, অভিযোগগুলো তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে কার্যকর প্রশাসনিক পদক্ষেপ চাওয়া হয়েছে।

যাদের বিবাদী করা হয়েছে

গত ৩০ আগস্ট দায়ের করা রিটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, ডিএমপি কমিশনার, লালবাগ বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার এবং চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বিবাদী করা হয়।

রিটে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন, ২০২৩-এর ২৩ ও ২৭ ধারা, দণ্ডবিধির ৪১৯, ৪৬৮, ৪৭১ ও ৪৯৬ ধারা এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ৩৭৭ ধারার উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪, ১৫৬ ও ১৫৭ ধারা এবং পুলিশ আইন, ১৮৬১-এর ২৩ ধারায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্বের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে। রিটে ২০২৩ সালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি চিঠিরও উল্লেখ করা হয়েছে।

রিটের আগে গত ২৪ আগস্ট সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ‘ডিমান্ড অব জাস্টিস’ নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। তিন দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে বলা হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি—এমন অভিযোগে পরে হাইকোর্টে রিট করা হয়। সেই আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আদালত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে রুল জারি করলেন।

রিপোর্টার্স২৪/রাফিদ

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪