| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

পুলিশের ঊর্ধ্বতন দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত

reporter
  • আপডেট টাইম: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬ ইং | ২১:১৮:২৪:অপরাহ্ন  |  ৩৫৯ বার পঠিত
পুলিশের ঊর্ধ্বতন দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত

স্টাফ রিপোর্টার: পুলিশের ঊর্ধ্বতন দুই কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার। তারা হলেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-দক্ষিণ) এস এম মেহেদী হাসান এবং গাজীপুর ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-২-এর সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রহমত উল্লাহ চৌধুরী।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে তাদের বরখাস্তের আদেশ জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এস এম মেহেদী হাসানকে ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট এবং মো. রহমত উল্লাহ চৌধুরীকে ২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধেই সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত শাস্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে পলায়নের অভিযোগ

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এস এম মেহেদী হাসান কর্তৃপক্ষকে কোনো ধরনের লিখিত বা মৌখিক তথ্য না দিয়ে ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন।

তার স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা এবং ই-মেইলে একাধিকবার কর্মস্থলে যোগদানের নোটিশ পাঠানো হলেও তিনি কাজে যোগ দেননি। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়।

কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি কোনো জবাব দেননি। পরে তদন্তে তার বিরুদ্ধে পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হয়। দ্বিতীয় দফায় নোটিশ দেওয়া হলেও কোনো জবাব না পাওয়ায় তাকে বরখাস্তের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শের পর রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে তার বরখাস্তের আদেশ দেওয়া হয়।

রহমত উল্লাহর বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগ

অন্যদিকে মো. রহমত উল্লাহ চৌধুরী গাজীপুরের ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-২-এ কর্মরত থাকা অবস্থায় চিকিৎসকের পরামর্শে ছুটিতে যান। চিকিৎসক তাকে ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ থেকে দুই মাস বিশ্রামের পরামর্শ দেন।

বিশ্রামের সময় শেষ হওয়ার পর ১১ এপ্রিল তার কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি কাজে ফেরেননি। একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পরে তার স্থায়ী ও অস্থায়ী ঠিকানায় নোটিশ পাঠানো হলেও তিনি কর্মস্থলে যোগ দেননি। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়।

তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। দ্বিতীয় দফায় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি জবাব দেননি।

পরে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শের পর রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নিয়ে তার বরখাস্তের আদেশ জারি করা হয়েছে।

রিপোর্টার্স২৪/রাফিদ


ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪