| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

মেহেরপুর-মুজিবনগর প্রধান সড়ক পাথর-বালির দখলে

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ১৫, ২০২৬ ইং | ১৬:০০:১৬:অপরাহ্ন  |  ৩৮১৭ বার পঠিত
মেহেরপুর-মুজিবনগর প্রধান সড়ক পাথর-বালির দখলে

মেহেরপুর প্রতিনিধি: মেহেরপুর-মুজিবনগর প্রধান সড়কের চকশ্যামনগর নামক স্থানে খোদ মূল সড়কের ওপরই বালু ও পাথরের স্তূপ করে রাখা হয়েছে। পাশের একটি রাস্তা নির্মাণের সামগ্রী এভাবে প্রধান সড়কের অর্ধেকটা দখল করে রাখায় যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা।

সরে জমিনে গিয়ে দেখা যায়, মেহেরপুর ও ঐতিহাসিক মুজিবনগরের সংযোগকারী ব্যস্ততম এই প্রধান সড়কের চকশ্যামনগর অংশে রাস্তার প্রায় অর্ধেকটা জুড়ে পাথর ও বালির স্তূপ করা হয়েছে। স্থানীয় একটি রাস্তার পিচ ঢালাইয়ের কাজের জন্য এই নির্মাণসামগ্রী আনা হলেও, তা নির্দিষ্ট জায়গায় না রেখে ব্যস্ততম এই সড়কে ফেলে রাখা হয়েছে। এর ফলে দুই লেনের রাস্তাটি এখন কার্যত এক লেনে পরিণত হয়েছে।

মেহেরপুর-মুজিবনগর সড়কটি অত্যন্ত ব্যস্ত একটি রুট। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে শত শত মোটরসাইকেল, ইজিবাইক, করিমন-নসিমন, বাস এবং ট্রাক চলাচল করে। 

স্থানীয় চালক ও পথচারীদের সাথে কথা বলে জানা যায়: রাস্তাটিতে পর্যাপ্ত সড়ক বাতি না থাকায় রাতের বেলা এই বালু ও পাথরের স্তূপ দূর থেকে সহজে চোখে পড়ে না। ফলে রাতের যাতায়াত চরম বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। বাতাসে বালি উড়ে আশপাশের পরিবেশ যেমন নষ্ট হচ্ছে, তেমনি চালকদের চোখে বালি ঢুকে সাময়িক অন্ধত্বের সৃষ্টি করছে, যা দুর্ঘটনার অন্যতম বড় কারণ।

স্থানীয় বাসিন্দা ও নিয়মিত যাতায়াতকারী এক মোটরসাইকেল আরোহী সানোয়ার হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "রাস্তা তৈরির কাজ হচ্ছে ভালো কথা, কিন্তু তাই বলে প্রধান সড়কের অর্ধেকটা বন্ধ করে এভাবে দিনের পর দিন পাথর-বালি রেখে দেওয়া কোন ধরনের নিয়ম? প্রশাসন বা ঠিকাদার-কারোই যেন কোনো নজর নেই। বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর কি সবার হুঁশ ফিরবে?"

উন্নয়নমূলক কাজকে স্বাগত জানালেও, জনগণের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলে সড়ক দখল করে নির্মাণসামগ্রী রাখার এই সংস্কৃতি বন্ধ হওয়া জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন মহল। মেহেরপুর-মুজিবনগর প্রধান সড়ককে নিরাপদ করতে এবং সম্ভাব্য বড় কোনো দুর্ঘটনা এড়াতে অনতিবিলম্বে চক শ্যামনগরের এই বালু-পাথরের স্তূপ রাস্তা থেকে সরিয়ে পাশে কোনো নিরাপদ স্থানে নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

 এ বিষয়ে ঠিকাদার আলিম জানান, এস্কেভেটর না পাওয়ার কারণে বালি ও পাথর ওখান থেকে সরানো সম্ভব হয়নি দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়কের উপর থেকে বালি পাথর সরিয়ে নেওয়া হবে।

রিপোর্টার্স২৪/মিতু

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪