| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষাই বড় চ্যালেঞ্জ: তথ্যমন্ত্রী

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ১৩, ২০২৬ ইং | ১৯:১৪:২৯:অপরাহ্ন  |  ২৭০ বার পঠিত
রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষাই বড় চ্যালেঞ্জ: তথ্যমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার: দেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা আগামী দিনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন  স্বপন। তিনি বলেন, অতীতের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিভাজনের রাজনীতির কারণে দেশে এমন এক সংকটময় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল যেখানে ধর্মীয় ও শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিবেশও বাধাগ্রস্ত হয়েছিল।

বুধবার (১৩ মে) রাজধানীর উত্তরা কমিউনিটি সেন্টারে  স্থানীয় সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের উদ্যেগে আয়োজিত ‘ইসলামিক প্রতিযোগিতা ২০২৬’এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, একসময় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের, টুপি, দাড়ি কিংবা নামাজ আদায়ের মতো ধর্মীয় অনুশীলনকেও কিছু মহল সন্দেহের চোখে দেখতো, যা এদেশের দীর্ঘদিনের ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতির পরিপন্থী।

তিনি বলেন, যারা ভোটার বিহীন এবং গণবিচ্ছিন্ন হয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করেছিল, তারা জনগণের মধ্যে বিভিন্ন কারণে বিভেদ তৈরি করত। আর এই  বিভেদকে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে ব্যবহার করেছিল। ধর্মীয় বিভাজন তৈরির অপচেষ্টা ছিল তার অন্যতম অংশ।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষ যুগ যুগ ধরে নানা ধর্ম, বর্ণ ও সংস্কৃতির মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ঐতিহ্য বহন করে আসছে। ইসলামসহ সকল ধর্মই অন্যের বিশ্বাসকে সম্মান করার শিক্ষা দেয়। তাই সমাজে বিভাজন ও সংঘাত সৃষ্টি করার কোনো সুযোগ নেই।

ইসলামিক প্রতিযোগিতার আয়োজন মাদরাসা শিক্ষার্থীদের প্রতিভা, যুক্তিবোধ ও নৈতিক শিক্ষার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তথ্যমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ভারসাম্যপূর্ণ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে। দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের রেখে যাওয়া বিপুল ঋণ ও অর্থনৈতিক সংকট বর্তমান সরকারের জন্য বড়ো চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

তিনি জানান, প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা এবং বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপ মোকাবিলা করে অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করতে সময় ও সামাজিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন। আগামী দুই বছর দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক শান্তি বজায় রাখা গেলে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে। তাই সকল নাগরিককে বিভেদ ও অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

জাতীয় সংসদে গঠনমূলক বিতর্ককে গণতন্ত্রের অংশ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সংসদের বিতর্ক ও মতপার্থক্য যেন কোনোভাবেই রাজপথে সংঘাত বা বিশৃঙ্খলার কারণ না হয় সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। ধর্মীয় মূল্যবোধ চর্চাকারীদের সামাজিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সমাজে শান্তি, সহমর্মিতা ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে আলেম-উলেমা ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, বায়তুল মোকাররমের খতিব আল্লামা মুফতি আব্দুল মালেক, হাফেজ মাওলানা নাজমুল হাসান কাসেমীসহ আলেম-উলেমা, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪