| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

হাদি হত্যায় অভিযুক্ত ফয়সালকে নেয়া হলো দিল্লিতে, নেপথ্যে যে কারণ

reporter
  • আপডেট টাইম: মার্চ ২৫, ২০২৬ ইং | ০০:৪৪:৩১:পূর্বাহ্ন  |  ৪২৫০৫৮ বার পঠিত
হাদি হত্যায় অভিযুক্ত ফয়সালকে নেয়া হলো দিল্লিতে, নেপথ্যে যে কারণ

রিপোর্টার্স ডেস্ক: ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি হত্যা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে দিল্লিতে নিয়ে গেছে ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ)। আদালতের অনুমতি নিয়ে ট্রানজিট রিমান্ডে তাদের দিল্লিতে নেয়া হয়েছে। সেখানে তাদের নতুন করে জিজ্ঞাসাবাদের প্রস্তুতি চলছে।

গত রোববার কলকাতার বিধাননগর মহকুমা আদালত তাদের জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছিল। আর সোমবার এনআইএ বিধাননগর মহকুমা আদালতে ফয়সাল করিম ও আলমগীর হোসেনকে হেফাজতে নেয়ার আবেদন করে। এদিন শুনানির সময় দুই অভিযুক্তকে ভার্চুয়ালি আদালতে হাজির করা হয়। বিচারক এনআইএ-র আবেদন মঞ্জুর করে তাদের ট্রানজিট রিমান্ডে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেন।

পরে সোমবার রাতেই দমদম সেন্ট্রাল জেল থেকে ফয়সাল ও আলমগীরকে নিজেদের হেফাজতে নেয় এনআইএ। এরপর রাতের ফ্লাইটে তাদের দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হয়।

আইনজীবী সূত্রে জানা গেছে, হেফাজতে নেয়া দুই অভিযুক্তকে মঙ্গলবার দিল্লিতে এনআইএ আদালতে হাজির করা হবে। এরপর তাদের নতুন করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তবে ভারতে গ্রেপ্তার তৃতীয় বাংলাদেশি নাগরিক ফিলিপ সাংমাকে হেফাজতে নেয়ার আবেদন করেনি এনআইএ।

এর আগে রোববার আদালত ফয়সাল করিম ও আলমগীর হোসেনকে ১২ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছিল। তবে আদালতে আনা-নেয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হাদি হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে ফয়সাল।

ফয়সাল দাবি করে, সে হাদিকে হত্যা করেনি। সাংবাদিকরা সিসিটিভি ফুটেজে তার উপস্থিতির কথা উল্লেখ করলে সে বলে, ফুটেজে তাকে গুলি করতে দেখা যায়নি এবং সে ঘটনাস্থলেও ছিল না।

তবে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) জানিয়েছে, গত ৭ মার্চ মধ্যরাতে বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ এলাকা থেকে ফয়সাল ও আলমগীরকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা হাদি হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছিল বলে দাবি পুলিশের।

গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পুরানা পল্টন এলাকায় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নেয়া হলেও ১৮ ডিসেম্বর সেখানে তার মৃত্যু হয়।

পুলিশি তদন্তে ফয়সাল করিমের নাম উঠে আসে। গত ৬ জানুয়ারি গোয়েন্দা পুলিশ ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। এদের মধ্যে ১২ জনকে বাংলাদেশে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আর প্রধান দুই আসামি ফয়সাল ও আলমগীর এবং তাদের পালাতে সহায়তার অভিযোগে অভিযুক্ত ফিলিপ সাংমা ভারতে গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪