| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

আজ ঈদের দিনে যা করব, যা করব না

reporter
  • আপডেট টাইম: মার্চ ২১, ২০২৬ ইং | ০৯:৪৯:২৮:পূর্বাহ্ন  |  ৪৪২০০৯ বার পঠিত
আজ ঈদের দিনে যা করব, যা করব না

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: বিশ্বের মুসলিমরা প্রতি বছর দুটি উৎসব পালন করে থাকে। একটি হলো—ঈদুল ফিতর, আরেকটি ঈদুল আজহা। আজ পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদ আনন্দের এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি রক্ষার অনন্য মাধ্যম।

ঈদের দিনে করণীয় ১. গোসল ও পরিচ্ছন্নতা: ঈদের দিন সকালে গোসল করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হওয়া সুন্নাত।

২. তাকবির পাঠ: ঈদের দিন বেশি বেশি আল্লাহকে স্মরণ করা ও তাকবির পাঠ করা সুন্নাত। তাকবিরটি হলো: ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ’।

৩. উত্তম পোশাক ও সাজসজ্জা: সামর্থ্য অনুযায়ী ঈদের দিন নতুন পোশাক পরবে, অন্যথায় নিজের পরিষ্কার ও উত্তম পোশাকটি পরিধান করবে। এটি নিছক ফ্যাশন নয়, বরং আল্লাহর নেয়ামতের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ।

৪. তাকওয়ার পোশাক: সুন্দর পোশাকের চেয়েও জরুরি হলো ‘তাকওয়ার পোশাক’ বা নিজেকে গুনাহমুক্ত রাখা। পরিবার-পরিজনকে গুনাহ থেকে রক্ষা করা এবং পরিশুদ্ধ থাকার দীপ্ত শপথই হোক আসল ঈদের প্রাপ্তি।

৫. ঈদগাহে যাওয়ার আগে খাওয়া: ঈদুল ফিতরে নামাজে যাওয়ার আগে বিজোড়সংখ্যক (১, ৩ বা ৫টি) খেজুর বা অন্য কোনো মিষ্টিজাতীয় খাবার খাওয়া বিশেষ সুন্নাত। এটি মূলত রোজা শেষ হওয়ার ঘোষণার বাস্তব প্রতিফলন।

৬. ফিতরা আদায়: নামাজের আগেই ফিতরা আদায় করা জরুরি। এর মাধ্যমে রোজার ত্রুটিবিচ্যুতি দূর হয় এবং অভাবী মানুষের মুখে হাসি ফোটে।

৭. পথ পরিবর্তন ও হেঁটে যাওয়া: এক পথ দিয়ে ঈদগাহে যাওয়া এবং ভিন্ন পথ দিয়ে ফেরা সুন্নাত। এর ফলে অধিক মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় হয় এবং সওয়াবও বাড়ে।

৮. প্রতিবেশীর খোঁজ নেওয়া: ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীর খোঁজ নেওয়া ইসলামের নির্দেশ।

৯. পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়: ঈদের দিনে হাসিমুখে শুভেচ্ছা বিনিময় করা ইমানের সৌন্দর্য। সাহাবিরা পরস্পরকে বলতেন, ‘তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকা’ (আল্লাহ আমাদের ও আপনার নেক কাজগুলো কবুল করুন)।

ঈদের দিনে যা করব না

১. অতিরিক্ত নফল নামাজ: ঈদের নামাজের আগে ও পরে ঈদগাহে কোনো নফল নামাজ নেই। ঈদের নামাজের জন্য কোনো আজান বা ইকামতও দিতে হয় না।

২. রোজা রাখা: ঈদের দিনে রোজা রাখা সম্পূর্ণ হারাম।

এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে মেহমানদারির দিন।

৩. ইবাদতে অবহেলা: নতুন পোশাক বা রান্নাবান্না নিয়ে ব্যস্ত হয়ে ঈদের ওয়াজিব নামাজ কাজা করা বা অবহেলা করা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

৪. বিদাআত ও কুসংস্কার: ঈদকে কবর জেয়ারতের বিশেষ দিন মনে করা বা ঈদগাহে কোলাকুলি করাকে আবশ্যক ইবাদত মনে করা ঠিক নয়। তবে ভালোবাসা প্রকাশের জন্য কোলাকুলি বা মুসাফাহা করায় দোষ নেই, যদি একে ইবাদতের অংশ মনে না করা হয়।

৫. অপচয় ও ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ড: ঈদের আনন্দ অবশ্যই শরিয়তের সীমানার মধ্যে হতে হবে। জুয়া বা অপচয় ইসলামে নিষিদ্ধ। মনে রাখতে হবে, ঈদ কেবল উৎসব নয়, বরং আত্মশুদ্ধিরও এক বড় সুযোগ। 


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪