রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: সবকিছু ঠিক থাকলে ঈদের পর যমুনায় উঠবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে তার আগেই সেখানে অনুষ্ঠিত হবে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময়ের রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বড় ধরনের কোনো সংস্কারের প্রয়োজন নেই। বর্তমানে চলছে শুধু রুটিন রক্ষণাবেক্ষণ ও হালকা সংস্কার। গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী জানিয়েছেন, ভেতরের কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, হাইজিনিক ওয়াশ, রং মেইন এবং সিলিংয়ের কিছু ক্ষুদ্র মেরামত।
ঐতিহ্যবাহী গণভবন বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব নয়। আগস্টের অভ্যুত্থানের সময় গণভবনের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের পর এটি স্মৃতি জাদুঘরে পরিণত হয়েছে। এজন্য রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী গুলশান থেকে যমুনা পর্যন্ত নিয়মিত অফিস করছেন। যমুনা ভবনের আয়তন প্রায় ৮ একর, যার মধ্যে ভেতরের অংশ ৫.২ একর এবং বাইরের অংশ ২.৮ একর। অফিসসহ ভবনের মোট আয়তন ৩৫ হাজার স্কয়ার ফিট।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী যমুনায় দুটি ইফতার অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন, যেখানে দেশি ও বিদেশি কয়েকশ অতিথি উপস্থিত ছিলেন।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে আশা করা হচ্ছে, রুটিন কাজ দুই সপ্তাহের মধ্যে শেষ হবে, যার পরই প্রধানমন্ত্রীর জন্য যমুনা পুরোপুরি প্রস্তুত থাকবে।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম