বাগেরহাট প্রতিনিধি: পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে নামি-দামি ব্র্যান্ডের নকল করে নিম্নমানের লাচ্ছা সেমাই বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। আকর্ষণীয় ও চকচকে মোড়কে এসব সেমাই বাজারজাত করা হলেও এর মান ও উৎপাদন প্রক্রিয়া নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঈদকে সামনে রেখে একটি অসাধু চক্র দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নকল ও অনুমোদনহীন কোম্পানির মাধ্যমে এসব সেমাই বাজারজাত করছে। অনেক ক্ষেত্রেই এগুলো অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে উৎপাদন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, নামি ব্র্যান্ড ‘বনফুল’-এর নাম ব্যবহার করে ‘বর্ণফুল’ বা মোড়ক পরিবর্তন করে ভিন্ন নামে পণ্য বাজারজাত করা হচ্ছে। এছাড়া ‘হুগলি’র মতো নাম ব্যবহার করে ভোক্তাদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। ফলে আসল-নকল পার্থক্য করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
প্যাকেটের গায়ে ‘ঘি ও ডালডায় ভাজা’ লেখা থাকলেও বাস্তবে অধিকাংশ সেমাই পাম অয়েলে ভাজা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে সেমাইয়ের মান কমে যাওয়ার পাশাপাশি ভোক্তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে।
এ বিষয়ে মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামাল হোসেন মুফতি বলেন, নিম্নমানের লাচ্ছা সেমাই খেলে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। অনেক সময় এতে পাম অয়েল, কৃত্রিম রং এমনকি টেক্সটাইল ডাই (কাপড়ের রং) ব্যবহার করা হয়, যা মানবস্বাস্থ্যের জন্য, বিশেষ করে শিশুদের জন্য, অত্যন্ত ক্ষতিকর।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অতীশ সরকার বলেন, নকল পণ্য বাজারজাতকারী অসাধু ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় আনা হবে। এ বিষয়ে শিগগিরই অভিযান পরিচালনা করা হবে।
রিপোর্টার্স২৪/এসএন