ডিপ্লোম্যাটিক রিপোর্টার: ইসরায়েল সরকারের ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখলের উদ্দেশ্যে প্রণীত নতুন ভূমি ক্রয় আইনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত ওআইসি নির্বাহী কমিটির সভায় এ মন্তব্য করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আল কুদস আল শরিফসহ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের আইনি ও জনতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যকে পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে ইসরায়েল এই পদক্ষেপ নিয়েছে। ফিলিস্তিনিদের ভূমির অধিকার যথাযথভাবে নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
তিনি উল্লেখ করেন, ফিলিস্তিনিরা যদি মালিকানা প্রমাণ করতে না পারেন, তাহলে ইসরায়েল সরকার পশ্চিম তীরের বৃহৎ এলাকা ‘রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি’ হিসেবে দাবি করার পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে। এর ফলে ফিলিস্তিনি ভূমি মালিকরা বহুবিধ ভীতি ও হয়রানির মুখে পড়ছেন, যা আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিকভাবে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
খলিলুর রহমান বলেন, এই ধরনের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন এবং সামাজিক শৃঙ্খলার ভিত্তিমূলক ক্ষুণ্ণ ঘটায়। তিনি ১৯৬৭ সালের সীমারেখার আলোকে স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দুই রাষ্ট্র সমাধানের প্রয়োজনীয়তা পুনর্ব্যক্ত করেন, যেখানে পূর্ব জেরুজালেম হবে ফিলিস্তিনের রাজধানী।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ ও আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তাকারীদের জন্য নিঃশর্ত ও বাধাহীন প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
সভায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব এম ফরহাদুল ইসলাম এবং ওআইসিতে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি এম জে এইচ জাবেদ উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি