স্টাফ রিপোর্টার: শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় হোটেল ও রেস্টুরেন্ট খাতে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি আগামী ৩০ জুনের মধ্যে কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছে। নির্বাচনি ইশতেহার ২০২৬ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে গৃহীত ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার সময়সীমা হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত কর্মশালায় শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব ড. মো. সানোয়ার জাহান ভূইয়া সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক।
কর্মশালায় জানানো হয়, হোটেল ও রেস্টুরেন্ট খাতে দীর্ঘদিন ধরে ন্যূনতম মজুরি কাঠামো কার্যকর না থাকায় শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। এ প্রেক্ষাপটে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে এই খাতে ন্যূনতম মজুরি বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ট্যানারি, হোটেল ও আয়রন ফাউন্ড্রি খাতেও একই সময়সীমার মধ্যে ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা ও বাস্তবায়নের বিষয় উপস্থাপন করা হয়েছে।
মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নির্ধারিত সময়সীমা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। তিনি জানান, ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রতি সপ্তাহে পর্যালোচনা করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে নিয়মিত ফলোআপ করতে হবে।
কর্মশালায় আরও জানানো হয়, শ্রম আইন সংস্কার ও আধুনিকীকরণ, শিশুশ্রম ও জবরদস্তিমূলক শ্রম বন্ধে আইন প্রণয়ন, ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধন ডিজিটালাইজেশন এবং পুরোনো শ্রম মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) পদ্ধতি চালু করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ন্যূনতম মজুরি কার্যকর হলে হোটেল-রেস্টুরেন্ট খাতে কর্মরত বিপুলসংখ্যক শ্রমিকের আয় ও জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এটি সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।