স্টাফ রিপোর্টার: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিভিন্ন আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ তদন্ত ও প্রার্থীদের অধিকার সুরক্ষার লক্ষ্যে হাইকোর্টে রিট দায়েরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জোটের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে ত্রয়োদশ নির্বাচনের ফলাফলে জালিয়াতি, ভোটকেন্দ্র দখল এবং অন্যান্য অনিয়ম নিয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়। জোটের সদস্যরা আরও সম্মত হন যে, সংসদে এবং সংসদের বাইরে ভবিষ্যতে ১১ দলীয় ঐক্য এককভাবে এবং সমন্বিতভাবে দেশ ও জনগণের স্বার্থে কার্যক্রম চালাবে।
জোটের লিয়াজোঁ কমিটির মিডিয়া সমন্বয়ক এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানান, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পর ১৩ ফেব্রুয়ারি রাতে তড়িঘড়ি করে গেজেট প্রকাশিত হওয়ায় কিছু আসনে প্রার্থীরা তাদের ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আরপিও অনুযায়ী পুনঃগণনার সুযোগ না পাওয়ায় এই বিষয়গুলো সমাধানের জন্য হাইকোর্টে রিট করা হবে।
বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট বিজয়ী হওয়ায় সংসদের উচ্চকক্ষে ১০০ আসনে রাজনৈতিক দলগুলো প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে আসন পাবে, নোট অব ডিসেন্টের সুযোগ থাকবে না। সংসদ চালু হওয়ার পর ১৮০ দিনের মধ্যে পর্যায়ক্রমে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়েছে।
এছাড়া, নির্বাচনের আগে ও পরে ১১ দলীয় ঐক্যের নারী ও সাধারণ নেতাকর্মীদের ওপর সংঘটিত সহিংসতার নিন্দা জানানো হয়। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, সহিংসতা বন্ধ না হলে জনগণকে নিয়ে মাঠে নামবে ঐক্য। একই সঙ্গে ফ্যাসিবাদীদের সাথে কোনো আঁতাত না করে গণতান্ত্রিক ও জনমুখী রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ার আহ্বান জানানো হয়।
এছাড়াও ৩০টির বেশি আসনে কারচুপির অভিযোগের প্রেক্ষিতে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতৃবৃন্দ ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশনে বৈঠক করার পরিকল্পনা করেছেন।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি