| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

১২ তারিখের নির্বাচন পরিবর্তন ও জাগরণের নির্বাচন: ডা. শফিকুর রহমান

reporter
  • আপডেট টাইম: ফেব্রুয়ারী ০৭, ২০২৬ ইং | ০০:৩৫:১২:পূর্বাহ্ন  |  ৭৬৯৮৮৪ বার পঠিত
১২ তারিখের নির্বাচন পরিবর্তন ও জাগরণের নির্বাচন: ডা. শফিকুর রহমান

পিরোজপুর প্রতিনিধি: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামী ১২ তারিখের নির্বাচন অতীতের কোনো নির্বাচনের মতো নয়। এটি একটি ভিন্নধর্মী ও পরিবর্তনের নির্বাচন, যা নতুন বাংলাদেশকে জাগিয়ে তুলবে। এই নির্বাচন ৩৬ জুলাইয়ের যোদ্ধাদের সম্মান জানানো, যুবসমাজের আকাঙ্ক্ষা পূরণ এবং ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার নির্বাচন।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় পিরোজপুর সদরে ১১ দলীয় ঐক্যের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আগামীর নির্বাচন হবে দেশের মা-বোনদের গর্ব, নিরাপত্তা ও ইজ্জত-আব্রুর নির্বাচন। এটি শিশুদের নিরাপদ বেড়ে ওঠার, শ্রমজীবী মানুষ, কৃষক, কামার-কুমার, তাঁতি, মাঝি ও শ্রমিকসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বপ্ন বাস্তবায়নের নির্বাচন। তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে এসব স্বপ্ন বাস্তবায়ন না হওয়ায় ২৮ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। আসন্ন নির্বাচন সেই পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনার এবং সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করার নির্বাচন।

তিনি বলেন, কোনো মামা-খালুর ফোনে আর নির্বাচন হবে না। এটি ইনসাফের ভিত্তিতে উন্নয়নের নির্বাচন। যুবকদের হাতে মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান তুলে দেওয়ার নির্বাচন। বেকার ভাতার লোভ দেখিয়ে রাজনীতি করার দিন শেষ।

সাবেক সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সমালোচনা করে তিনি বলেন, এক সময় ১০ টাকার চাল খেয়ে মানুষ অসুস্থ হয়েছে, অথচ এখন আবার নানা অঙ্কের টাকা ও কার্ড দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশের মানুষ, বিশেষ করে নারীরা এখন বুঝে গেছে—যাদের হাতে তাদের নিরাপত্তা ও সন্তানের জীবনের নিশ্চয়তা নেই, তাদের দেওয়া কার্ডের কোনো মূল্য নেই।

ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, একটি দলের নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে হিজাব ও নিকাব পরা নারীদের নিয়ে অবমাননাকর বক্তব্য দিচ্ছে। এসব বক্তব্যের পরও দলীয়ভাবে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় তিনি দলটির নীরব সমর্থনের অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, এই অপমানের জবাব দেওয়ার উপযুক্ত সময় হচ্ছে আগামী ১২ তারিখ।

তিনি আরও বলেন, আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে ভোট প্রয়োজন। একই সঙ্গে চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ, মামলাবাজ ও আধিপত্যবাদের দালালদের লাল কার্ড দেখানোর দিনও হচ্ছে ১২ তারিখ।

ভোট রক্ষা প্রসঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, কেউ যদি ভোট চুরি বা নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চেষ্টা করে, যত বড় শক্তিই হোক না কেন—তাদের প্রতিহত করা হবে। এই ভোট রক্ষায় আন্দোলন চলবে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি, ১৩ তারিখ থেকে যেন একটি নতুন বাংলাদেশ শুরু হয়। আমি জামায়াতে ইসলামীর বিজয় চাই না—আমি বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই।

রিপোর্টার্স২৪/বাবি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪