| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

জুলাই অভ্যুত্থানের বিচার দিয়ে শুরু বিএনপির ইশতেহার

reporter
  • আপডেট টাইম: ফেব্রুয়ারী ০৬, ২০২৬ ইং | ১১:৪২:৪৭:পূর্বাহ্ন  |  ৭৭১১২৩ বার পঠিত
জুলাই অভ্যুত্থানের বিচার দিয়ে শুরু বিএনপির ইশতেহার

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: ‘সবার আগে বাংলাদেশ’— রাষ্ট্র পরিচালনার এই মূলনীতিকে সামনে রেখে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করতে যাচ্ছে বিএনপি। এতে দুর্নীতিবিরোধী কঠোর অবস্থান, মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের নির্ভুল তালিকা প্রণয়ন এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিচার নিশ্চিত করার মতো বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ছয় দিন আগে অর্থাৎ  আজ শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই ইশতেহার ঘোষণা করবেন। দলটির মিডিয়া সেল জানিয়েছে, বিকেল সাড়ে ৩টায় অনুষ্ঠানটি শুরু হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং সঞ্চালনা করবেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ইশতেহারটি তৈরি করা হয়েছে বিএনপিঘোষিত ‘রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা’, প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ‘১৯ দফা’, বেগম খালেদা জিয়ার ‘ভিশন-২০৩০’ এবং ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এর সমন্বয়ে।

এবারের ইশতেহারে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, পরিবেশ ও পররাষ্ট্র নীতি, প্রতিরক্ষা খাত, পাশাপাশি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিচার ও আওয়ামী লীগ আমলের শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির তদন্তকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এছাড়া খতিব-ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের মাসিক সম্মানীর মতো জনমুখী ইস্যুগুলোও থাকছে। নারী ও তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে এবং ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এর সমন্বয়ে ইশতেহারের বিষয়বস্তু চূড়ান্ত করা হয়েছে।

ইশতেহারে উল্লেখ থাকছে ১৯৭১ সালের ‘মুক্তিযুদ্ধ’, ১৯৭৫ সালের ‘সিপাহী-জনতার বিপ্লব’, ১৯৯০ সালে ছাত্রদের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ‘গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার’ বিষয়গুলো।


ইশতেহারে যেসব বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে 

সবার জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা 
স্বাস্থ্যসেবায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে বিএনপি তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে এ খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। প্রতিটি নাগরিকের বিনামূল্যে চিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রবর্তন করা হবে ‘ই-হেলথ কার্ড’। এছাড়া দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পরিকল্পনা অনুযায়ী— মাতৃস্বাস্থ্য, শিশুস্বাস্থ্য এবং প্রাণঘাতী ও জটিল রোগের আধুনিক চিকিৎসায় সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব বা পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (PPP) মডেল গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দের অঙ্গীকার করে বিএনপি প্রতিটি নাগরিকের জন্য ‘ই-হেলথ কার্ড’ প্রবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে, যা বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করবে। এই পরিকল্পনায় আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে একটি কেন্দ্রীয় হেলথ ডেটাবেজ তৈরি করা হবে। এছাড়া সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (PPP) মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি ‘স্বাস্থ্য পর্যটন সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলার উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে দুর্নীতিমুক্ত স্বাস্থ্যসেবা হবে প্রধান অগ্রাধিকার


তরুণ ও যুবসমাজের উন্নয়ন পরিকল্পনা
তরুণ প্রজন্মের দক্ষতা বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে বিএনপির ইশতেহারে থাকছে একগুচ্ছ আধুনিক পরিকল্পনা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— আইটি পার্কে তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য অফিসের সুবিধা প্রদান, দেশজুড়ে ফ্রি ওয়াইফাই জোন সৃষ্টি এবং আউটসোর্সিং ও ক্ষুদ্র-মাঝারি (SME) শিল্পের বিকাশে সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করা। আন্তর্জাতিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম অ্যামাজন ও আলিবাবার সঙ্গে দেশের বাজারকে সংযুক্ত করার কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি থাকছে এতে।

 এছাড়া তরুণদের বিশ্ববাজারের উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে বিদেশি ভাষা শিক্ষা এবং নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য ‘স্টার্ট-আপ ফান্ড’ গঠনে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। শিক্ষাব্যবস্থায় বড় সংস্কারের অংশ হিসেবে মাধ্যমিক পর্যায় থেকেই কারিগরি শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা এবং যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরি নিশ্চিত করতে ‘জব ম্যাচিং’ সেবা চালুর অঙ্গীকারও থাকছে দলটির ইশতেহারে।

শিক্ষা খাতের আমূল পরিবর্তন ও আধুনিকায়ন
শিক্ষা খাতের উন্নয়নে বিএনপি তাদের ইশতেহারে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দের জোরালো প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। শিক্ষাব্যবস্থাকে বৈশ্বিক মানে উন্নীত করতে একটি উচ্চপর্যায়ের ‘শিক্ষা সংস্কার কমিশন’ গঠন করা হবে। পাঠ্যক্রমে আন্তর্জাতিক চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে ইংরেজি ও বাংলার পাশাপাশি তৃতীয় একটি বিদেশি ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা থাকছে দলটির।

এছাড়া শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস প্রদান এবং প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে শতভাগ সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত করার কঠোর অঙ্গীকার করা হয়েছে। নারী শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রীসহ ‘ভেন্ডিং মেশিন’ স্থাপনের যুগান্তকারী উদ্যোগ নেবে দলটি।

শিক্ষকদের জন্য আকর্ষণীয় বেতন কাঠামো
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের সামাজিক ও আর্থিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বিএনপি। ইশতেহারে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য আকর্ষণীয় বেতন কাঠামো প্রবর্তনের পাশাপাশি তাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে বিশেষ কল্যাণমূলক কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসার জোরালো অঙ্গীকার করা হয়েছে।

৫ বছরে এক কোটি জনশক্তি রপ্তানি 
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা অনুযায়ী, দলটির নির্বাচনী ইশতেহারে বৈদেশিক কর্মসংস্থানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এতে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে যে, বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে আগামী ৫ বছরে দক্ষ ও অদক্ষ মিলিয়ে মোট এক কোটি জনশক্তি বিদেশে পাঠানোর কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

তরুণ প্রজন্মের জন্য বিএনপি আধুনিক ও কর্মমুখী ইশতেহার সাজিয়েছে। আগামী ৫ বছরে এক কোটি দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি এবং তথ্য-প্রযুক্তি খাতে ১০ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আইটি পার্কে তরুণ উদ্যোক্তাদের বিশেষ সুবিধা, স্টার্ট-আপ ফান্ড এবং অ্যামাজন-আলিবাবার মতো আন্তর্জাতিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে দেশীয় বাজারকে সংযুক্ত করার পদক্ষেপ নেওয়া হবে। মাধ্যমিক পর্যায় থেকেই কারিগরি শিক্ষা ও ‘জব ম্যাচিং’ সেবা চালুর প্রতিশ্রুতিও থাকছে এতে

৫ বছরের মধ্যে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ
পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বিএনপির ইশতেহারে এক বিশাল সবুজ বিপ্লবের পরিকল্পনা রাখা হয়েছে। এতে আগামী ৫ বছরের মধ্যে দেশজুড়ে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ এবং পরিবেশবান্ধব ও টেকসই ‘সবুজ কর্মসংস্থান’ সৃষ্টির এক বলিষ্ঠ অঙ্গীকার করা হয়েছে।

ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার রক্ষা
বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানসহ বিগত স্বৈরাচারী আমলের সকল মানবতাবিরোধী অপরাধের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি থাকছে। বিশেষ করে, যেসব হত্যাকাণ্ডের তদন্ত এখনও শুরু হয়নি, সেগুলো অবিলম্বে শুরু করে দায়ীদের দ্রুত বিচারিক প্রক্রিয়ায় আনা হবে। পাশাপাশি, গুমের মতো জঘন্য অপরাধ চিরতরে বন্ধ করতে এবং এর প্রতিকার নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী কঠোর আইন প্রণয়ন ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের অঙ্গীকার করা হয়েছে।

জবাবদিহিতা নিশ্চিতে ‘উন্নয়ন জনসভা’
এবারের ইশতেহারের অন্যতম বিশেষ আকর্ষণ বা ‘চমক’ হতে যাচ্ছে স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক করার এক অভিনব পরিকল্পনা। এতে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হবে যে, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে কার্যকর করতে প্রতি বছর অন্তত একবার উন্মুক্ত স্থানে ‘উন্নয়ন জনসভা’ আয়োজন করা হবে। যেখানে সরকারের গৃহীত উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সরাসরি জনগণের সামনে উপস্থাপন করা হবে এবং নাগরিকরা তাদের মতামত দেওয়ার সুযোগ পাবেন।

৫ বছরে প্লাস্টিক বর্জ্য ৩০ শতাংশ কমানো
শিল্পকারখানার বর্জ্য ও পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার অঙ্গীকার থাকছে বিএনপির ইশতেহারে। সেখানে বলা হয়েছে, টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করতে আগামী ৫ বছরের মধ্যে দেশে প্লাস্টিক বর্জ্যের পরিমাণ ৩০ শতাংশ কমিয়ে আনা হবে। পরিবেশ রক্ষায় এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে শিল্প বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও রিসাইক্লিং প্রক্রিয়ায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি
দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সুসংহত করতে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ (সবার আগে বাংলাদেশ) নীতিকে মূল ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করেছে বিএনপি। এই নীতির আলোকে জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং দেশপ্রেমের মন্ত্রে উজ্জীবিত একটি সুশৃঙ্খল, যুগোপযোগী ও আধুনিক সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা দলটির নির্বাচনী ইশতেহারে গুরুত্বের সঙ্গে স্থান পাচ্ছে।

পুঁজিবাজারের সংস্কার ও বিনিয়োগ উন্নয়ন
বিগত ১৫ বছরে পুঁজিবাজারে ঘটে যাওয়া নানা অনিয়ম ও কারসাজিতে ক্ষতিগ্রস্ত লাখ লাখ বিনিয়োগকারীর স্বার্থ রক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বিএনপি। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর আস্থা ফেরাতে গত ১৫ বছরের সকল অনিয়ম ও দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্তে একটি ‘বিশেষ তদন্ত কমিশন’ গঠনের জোরালো প্রতিশ্রুতি থাকছে দলটির ইশতেহারে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের নির্ভুল তালিকা ও বিচার নিশ্চিত করাকে ইশতেহারে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বিগত আমলের গুম ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে কঠোর আইন প্রণয়ন এবং পুঁজিবাজার ও আর্থিক খাতের অনিয়ম তদন্তে ‘বিশেষ কমিশন’ গঠন করা হবে। এছাড়া স্থানীয় সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রতি বছর ‘উন্মুক্ত উন্নয়ন জনসভা’ আয়োজনের অভিনভ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যা প্রশাসনে জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবে

পাশাপাশি পুঁজিবাজারকে স্থিতিশীল ও শক্তিশালী করতে বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার অঙ্গীকার করা হয়েছে। এছাড়া তরুণ প্রজন্মকে পুঁজিবাজার সম্পর্কে সচেতন ও দক্ষ করে তুলতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শেয়ারবাজার সংক্রান্ত শিক্ষার প্রসার ঘটানোর সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনাও হাতে নিয়েছে বিএনপি।

৩৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে বিএনপির ইশতেহারে থাকছে বিশেষ মহাপরিকল্পনা। এতে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে যে, বর্ধিত চাহিদা মেটাতে এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৩৫ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করা হবে। জ্বালানি খাতের টেকসই উন্নয়নে আধুনিক প্রযুক্তি ও নতুন বিনিয়োগের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হবে দলটির পক্ষ থেকে।

তথ্য ও প্রযুক্তি খাতে ১০ লাখ নতুন কর্মসংস্থান 
দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে তথ্য ও প্রযুক্তি খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বিএনপি। দলটির নির্বাচনী ইশতেহারে প্রযুক্তি নির্ভর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এই খাতে অন্তত ১০ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির এক বিশাল কর্মপরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতি থাকছে।


রিপোর্টার্স২৪/এসএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪