| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ভাঙ্গায় পৌর বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মানব বন্ধন ভুক্তভোগী পরিবারের

reporter
  • আপডেট টাইম: অক্টোবর ১৫, ২০২৬ ইং | ১৯:৪৮:৪৭:অপরাহ্ন  |  ৬৬৯ বার পঠিত
ভাঙ্গায় পৌর বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মানব বন্ধন ভুক্তভোগী পরিবারের

ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান পান্না মিয়ার বিরুদ্ধে ঠিকাদারি কাজের কোটি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে। টাকা ফেরতের দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ভুক্তভোগী ঠিকাদার রাহাত হাসান মিয়া। 

বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার পূর্বসদরদি পলিটেকনিক্যাল কলেজের সামনে ঠিকাদার রাহাত মিয়া টাকার দাবী জানিয়ে শত শত নারী ও পুরুষ সাথে নিয়ে মানব বন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

ঠিকাদার রাহাত মিয়া জানান, পূর্ব-সদরদীর পলিটেকনিকেল কলেজের নির্মাণ কাজ ফরিদপুরের আলাউদ্দিন ট্রেডিং কোম্পানির স্বত্বাধিকারী সিদ্দিকুর রহমান পেয়ে ছিলো।

পরে তার কাছ থেকে সাব-ঠিকাদার হিসেবে স্ট্যাম্পে ডিট করে ভনণেট নির্মাণের কাজটি তাকে দেওয়া হয়। পাঁচ আগস্টে সরকার পরিবর্তনের পরে ভাঙ্গার পৌর বিএনপি'র সাবেক সাধারণ সম্পাদক, মিজানুর রহমান পান্না বিএনপির প্রভাব খাটিয়ে ভয় দেখিয়ে  আমার সঙ্গে যুক্ত হয়।  

কলেজের কাজ যখন সম্পন্নর পথে তখন এই পান্না দলের শক্তি খাটিয়ে আমাকে না জানিয়ে মূল ঠিকাদার সিদ্দিকুর রহমানকে লোভ দেখিয়ে ও তার সঙ্গে আঁতাত করে ভবণ উন্নয়নের বিভিন্ন বিলের আড়াই কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। 

ঘটনাটি জানাজানির পরে টাকার জন্য একাধিক বার টাকার জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরতে থাকি। কখনো কখনো টাকা চাইলেই দলের ভয় দেখিয়ে হত্যা করার হুমকি দেয়। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি উল্লেখ করে আরও জানান, ভবনের নির্মাণ কাজে তিনি নগদ টাকা ও বিভিন্ন দোকান  থেকে বাকিতে নির্মাণ কাজের সামগ্রী সরবরাহ করে প্রায় তিন কোটি টাকা বিএনপি নেতা ও ঠিকাদার মিজানুর রহমান পান্না মিয়ার কাছে পাওয়া গেলেও আত্মসাৎকারীর পাল্লায় পড়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ি। আমার মা গত কয়েকদিন ধরে অসুস্থ হয়ে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঠিকাদার পান্না ও সিদ্দিকুর রহমানের আমার প্রায় তিন কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। আমি এখন দেউলিয়া হয়ে পড়েছি বিধায় অসুস্থ মায়ের চিকিৎসা করাতে পারছি না। তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হস্তক্ষেপ কামনা করে কান্নায় ভেঙে পড়েন মানব বন্ধন কর্মসূচিতে।

ঠিকাদার মিজানুর রহমান পান্নার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের সহযোগী কামরুল ইসলাম জানান, পান্না মিয়া তার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দিয়ে তার কাছ থেকেও চার লক্ষ টাকা নিয়েছেন। রাহাত মিয়ার থেকে ঠিকাদার সিদ্দিকুর রহমান ও পান্না মিয়া দুই কোটি ৯৩ লক্ষ টাকা পাবেন বলে জানান। আশা তানিয়া নামের এক নারী জানান, রাহাতের মা মৃত্যুশয্যায়। ভুক্তভোগী পরিবারটি দেউলিয়ার পথে হওয়ায় তিনি ঘটনার পিছনে জড়িতদের বিচারের অভিযুক্ত ঠিকাদার ও ভাঙ্গা পৌর বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান পান্না জানান, রাহাত মিয়া সাজাপ্রাপ্ত  আসামী। কার ইন্দনে এসব করছেন আমার জানা নাই। তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবী করেন।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪