| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

নড়াইলে বিয়ের ১০ বছর পর একসঙ্গে সাত সন্তানের জন্ম, বাঁচেনি কেউ

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ০৮, ২০২৬ ইং | ১৫:৩০:৪১:অপরাহ্ন  |  ৯২৫ বার পঠিত
নড়াইলে বিয়ের ১০ বছর পর একসঙ্গে সাত সন্তানের জন্ম, বাঁচেনি কেউ

নড়াইল প্রতিনিধি: নড়াইলে একই মায়ের গর্ভে একসঙ্গে সাত সন্তানের জন্ম হয়েছে। এর মধ্যে চারটি ছেলে ও তিনটি মেয়ে সন্তান ছিল। তবে অপরিপক্ব অবস্থায় জন্ম নেওয়ায় কোনো নবজাতককেই বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি নড়াইল সদর উপজেলার কালিয়া উপজেলার? না—সঠিকভাবে সদর উপজেলার মাইজপাড়া ইউনিয়নের কালুখালী গ্রামে ঘটেছে।

ওই গ্রামের ইজিবাইকচালক মহসিন মোল্যা ও গৃহবধূ সালমা বেগম দম্পতির ঘর আলো করে সাত সন্তানের জন্ম হয়। বিয়ের ১০ বছর পর সন্তানের মুখ দেখার অপেক্ষায় ছিলেন তারা। আল্ট্রাসোনোগ্রাফিতে ছয় সন্তানের উপস্থিতি ধরা পড়লেও প্রসবের সময় সাতটি সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) বেলা ১১টার দিকে নবজাতক ছয়জনকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। অপর এক নবজাতককে যশোরের একটি কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার রাতে যশোরের একটি হাসপাতালে প্রথমে দুটি সন্তান জন্ম নেয়। পরদিন বুধবার রাতে একে একে আরও পাঁচটি সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়। তবে অপরিপক্ব অবস্থায় জন্ম নেওয়ায় কাউকেই বাঁচানো সম্ভব হয়নি। নির্ধারিত সময়ের প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস আগেই সন্তানগুলো জন্ম নেয় বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। বর্তমানে নবজাতকদের মা সালমা বেগম যশোরে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নবজাতকদের দাদি মঞ্জুরা খাতুন জানান, গত সোমবার রাতে সালমা বেগমের প্রসববেদনা শুরু হলে তাকে যশোরে নেওয়া হয়। পরে সেখানেই সন্তানগুলোর জন্ম হয়।

দাদা আব্দুল লতিফ মোল্যা বলেন, “আমার ছেলে সৌদি আরবে থাকত। তিন বছর আগে দেশে ফিরে ইজিবাইক চালাচ্ছে। বিয়ের ১০ বছর পর সন্তানের মুখ দেখার অপেক্ষায় ছিলাম। কিন্তু সাতটি সন্তান জন্ম নিয়েও কাউকে বাঁচানো গেল না। এ কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।”

স্থানীয় এক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আবু সেলিম বলেন, মহসিন মোল্যার সাত সন্তানের খবর ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু সন্তানগুলো মারা যাওয়ায় সবাই শোকাহত। আমরা তার স্ত্রীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।

যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. ইলা মণ্ডল জানান, সালমা বেগম তার তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সন্তানগুলো অপরিপক্ব অবস্থায় জন্ম নিয়েছে। গর্ভাবস্থার পাঁচ মাসে প্রতিটি শিশুর ওজন ছিল প্রায় ২০০ গ্রাম। সবার হার্টবিট থাকলেও শেষ পর্যন্ত তাদের বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

রিপোর্টার্স২৪/এসএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪