মাদারীপুর প্রতিনিধি: মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়া বলেছেন, জমির নামজারি করতে তার কাছ থেকেও একসময় ২৫ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়া হয়েছিল। এমন পরিস্থিতি যেন আর তৈরি না হয়, সে জন্য ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদের তিন দিনের মধ্যে মিউটেশন সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোনো অর্থের বিনিময়ে এ ধরনের কাজ করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ঠিকানা হবে কারাগার, না হয় পানির মধ্যে।
শুক্রবার সকালে মাদারীপুর সদর উপজেলার পেয়ারপুরে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাহান্দার আলী মিয়া আরও বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের মতো যেন বিএনপির কোনো নেতাকর্মী স্বৈরাচার না হয়ে ওঠে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। দলের নাম ভাঙিয়ে কেউ যেন চাঁদাবাজি বা টেন্ডারবাজিতে জড়াতে না পারে। পাশাপাশি কিশোর গ্যাং লালন-পালন করা যাবে না। কেউ জমি দখলের চেষ্টা করলে তার মাদারীপুরে জায়গা হবে না।
তিনি বলেন, অতীতে জনগণের কাছ থেকে ভোট চেয়ে প্রতারণা করেছে সাবেক এমপি। এর প্রমাণ বিভিন্ন এলাকার সড়ক, রাস্তাঘাট ও খাল উন্নয়ন না হওয়া। খাল ও নদীতে পানি থাকলেও গভীর নলকূপ ব্যবহারের কারণে ভবিষ্যতে পানি সংকট দেখা দিতে পারে। এমন পরিস্থিতি এড়াতে সারাদেশে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছে বিএনপি সরকার।
পেয়ারপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শওকত ওসমানের সভাপতিত্বে ও নুরুজ্জামান হাওলাদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর আদালতের জিপি অ্যাডভোকেট গুলজার আহম্মেদ চিশতী, আড়িয়াল খাঁ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোহেল আহমেদ বাদলসহ অনেকে।
রিপোর্টার্স২৪/এসএন