সিনিয়র রিপোর্টার: রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া বাসটির উদ্ধারকাজ সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি উদ্ধার কার্যক্রম দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন।
বুধবার (২৫ মার্চ) মধ্যরাতে এক প্রেস বার্তায় বিষয়টি জানান সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন এবং রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। একই সঙ্গে তিনি মর্মান্তিক এ ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন।
শোকবার্তায় নৌমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা জাতির জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ও ডুবুরি দল নিরলসভাবে কাজ করছে। এ ছাড়া ফায়ার সার্ভিস, বিআইডব্লিউটিসি, সেনাবাহিনী, পুলিশ, নৌপুলিশ এবং জেলা প্রশাসনও উদ্ধার তৎপরতায় অংশ নিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠনসহ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।
মন্ত্রী নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। আহতদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সর্বাত্মক সহায়তার নির্দেশও দেন তিনি।
এদিকে দুর্ঘটনাস্থলে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নূরুন্নাহার চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে উদ্ধার কার্যক্রম তদারকি করছেন।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত পর্যন্ত মোট ১৮টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।