| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

জ্বালানি আমদানিতে বাড়তি খরচের আশঙ্কা, আইএমএফকে জানাল বাংলাদেশ

reporter
  • আপডেট টাইম: মার্চ ২৪, ২০২৬ ইং | ১৫:০০:১৫:অপরাহ্ন  |  ৪৫৬৪২৩ বার পঠিত
জ্বালানি আমদানিতে বাড়তি খরচের আশঙ্কা, আইএমএফকে জানাল বাংলাদেশ

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটের প্রভাবে দেশের জ্বালানি আমদানিতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের আশঙ্কার কথা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলকে (আইএমএফ) জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সচিবালয়ে আইএমএফ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি আমদানিতে অতিরিক্ত ব্যয় হবে এই বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। আমরা আগামী স্প্রিং মিটিংয়ে ওয়াশিংটনে যাচ্ছি, সেখানে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

এর আগে আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন-এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল প্রথমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পরে তারা অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসেন, যেখানে বৈশ্বিক পরিস্থিতি ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়।

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আইএমএফ কোনো পরামর্শ দিয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ব্যাংকিং খাত, শেয়ারবাজার, ট্যাক্স ও জিডিপি সব ক্ষেত্রেই চ্যালেঞ্জ রয়েছে। সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর মাত্র এক মাস হয়েছে, এর মধ্যে রমজান ও যুদ্ধ পরিস্থিতি সব মিলিয়ে কঠিন সময় পার করছি।

তিনি দাবি করেন, এই চ্যালেঞ্জের মধ্যেও সরকারের কার্যকর অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার কারণে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়নি। জ্বালানি সংকট থাকা সত্ত্বেও পরিবহনে কোনো সমস্যা হয়নি, ঈদে মানুষ নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরেছে, ভাড়া বাড়েনি এবং দ্রব্যমূল্যও স্থিতিশীল ছিল। গার্মেন্টস খাতেও অস্থিরতা দেখা যায়নি, বলেন তিনি।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছি বলেই এই সুফল এসেছে। তবে সরকার একা সব করতে পারবে না দেশবাসীকেও সহযোগিতা করতে হবে। সবাইকে সংযমী হতে হবে, কারণ যুদ্ধের প্রভাব আমরা ভোগ করছি, যদিও এর সঙ্গে আমাদের সরাসরি কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

আইএমএফ ঋণ কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি জানান, ঋণের পরবর্তী কিস্তি ও পর্যালোচনা জুলাইয়ে হবে। এপ্রিলের ওয়াশিংটন বৈঠকে এ বিষয়ে অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হবে।

তিনি আরও বলেন, আইএমএফের শর্তগুলো নিয়ে আলোচনা চলছে। সব শর্ত একসঙ্গে বাস্তবায়ন সম্ভব নয়—বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় ধাপে ধাপে এগোতে হবে।

বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থার চিত্র তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ব্যাংকিং খাত অত্যন্ত দুর্বল, শেয়ারবাজার সংকটে, ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত চ্যালেঞ্জের মুখে। এসব খাত থেকে উত্তরণে একের পর এক সংস্কার কার্যক্রম নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে থমকে যাওয়া উন্নয়ন প্রকল্পগুলো পুনরুজ্জীবিত করতে কাজ চলছে। “অর্থনীতিকে একটি স্থিতিশীল অবস্থায় আনতে আমরা ইতোমধ্যে কিছু পদক্ষেপ নিয়েছি, ভবিষ্যতে আরও নেওয়া হবে এর প্রতিফলন আসন্ন বাজেটে দেখা যাবে, বলেন অর্থমন্ত্রী।


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪