স্টাফ রিপোর্টার: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধে হুমকি তৈরি হওয়ার আগে হরমুজ প্রণালি ও ওমান উপসাগর পেরিয়ে আসা ১২টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে। এই জাহাজগুলোর মধ্যে ৪টিতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), ২টিতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) এবং ৯টিতে সিমেন্টশিল্পের কাঁচামাল ক্লিংকার রয়েছে। বাকি তিনটি জাহাজ এই সপ্তাহে বন্দরে আসার কথা।
বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক পরিচালক খায়রুল আলম সুজন জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধ শুরুর আগে যেসব জাহাজ ছেড়েছিল সেগুলোই বর্তমানে চট্টগ্রামে এসেছে। যেসব জাহাজ এখনও পথে রয়েছে, সেগুলোও পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে জানা গেছে, কাতার থেকে ১ লাখ ২৬ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘আল জোর’ ও ‘আল জাসাসিয়া’ জাহাজ দুটি ইতিমধ্যেই বন্দরে পৌঁছেছে। এছাড়া এলপিজি নিয়ে ‘সেভান’ জাহাজ রোববার এবং ‘আল গালায়েল’ ও ‘লুসাইল’ জাহাজগুলি যথাক্রমে বুধবার ও সোমবার বন্দরের জলসীমায় পৌঁছাবে। এই চার জাহাজে মোট ২ লাখ ৪৭ হাজার টন এলএনজি রয়েছে।
সিমেন্টশিল্পের কাঁচামাল, জিপসাম, চুনাপাথর ও অন্যান্য পাথর নিয়ে আরও কয়েকটি জাহাজ চট্টগ্রামে এসেছে। এসব জাহাজে মোট ৫ লাখ ১৫ হাজার টন কাঁচামাল রয়েছে, যা উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে আনা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে মধ্যপ্রাচ্য থেকে প্রায় ৬০০ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছিল, যার বড় অংশই জ্বালানি পণ্য। সরকার, শিপিং লাইন, জাহাজ মালিক ও মেরিনারা এই পরিস্থিতি মনিটর করছেন এবং হুমকি না থাকলে জাহাজ চলাচল দ্রুত স্বাভাবিক হবে।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি