| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

মনোহরগঞ্জে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

reporter
  • আপডেট টাইম: মার্চ ০১, ২০২৬ ইং | ১৫:৩২:৫২:অপরাহ্ন  |  ৬০৬৭৪১ বার পঠিত
মনোহরগঞ্জে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

কুমিল্লা প্রতিনিধি: ‎কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে আরিফুল ইসলাম নামে এক ব্যাক্তির বিরুদ্ধে যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। আবু ইউসুফ নামে স্থানীয় এক ঠিকাদার এই অভিযোগ করেন। 

‎শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি ) তিনি মনোহরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর দেওয়া অভিযোগে উল্লেখ করেন, সরকারি বিধি মোতাবেক উপজেলার লক্ষণপুর বাজারে একটি ড্রেন নির্মাণকাজ পাওয়ার পর মালামাল নিয়ে কাজ শুরু করলে আরিফুল ইসলাম তার কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। দাবি পূরণে অপারগতা প্রকাশ করায় শুরু হয় হুমকি-ধমকি।

‎অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি উপজেলা থেকে বিল তুলে ফেরার পথে আরিফ তার সহযোগী মাহফুজ (পিতা- নুরু মিয়া), জহির (পিতা- জাফর), আনাছ (পিতা- গিয়াস উদ্দিন), ফারুক (পিতা- তাহের মিয়া) ও লোকমানসহ কয়েকজনকে নিয়ে তার পথরোধ করে। এসময় তারা পুনরায় ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে গালিগালাজ ও ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়। পরে উপস্থিত স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দেন।

‎ভুক্তভোগীর দাবি, এরপর থেকেই তাকে ও তার ছেলেকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। চাঁদা না দিলে দেখে নেওয়া হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে।

‎স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, অভিযুক্ত আরিফকে পূর্বে চুরির অভিযোগে গ্রাম্য সালিশে শাস্তি দিয়ে এলাকা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। ৫ আগস্টের পর সে এলাকায় ফিরে এসে পুনরায় বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে পড়ে। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, থানার দালালি, সালিশের নামে হয়রানি এবং প্রশাসনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

‎জানা যায়, আরিফ ও তার সহযোগীরা ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে। উপজেলা যুবদল নেতা মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জুর নেতৃত্বে খোদাই ভিটায় দলীয় অফিসের সাইনবোর্ড টানিয়ে নিজেদের নেতা দাবি করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, আগে তারা অটোরিকশা ও সিএনজি চালক, দিনমজুর কিংবা ভবঘুরে হিসেবে পরিচিত থাকলেও এখন রাজনৈতিক পরিচয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে।

‎এবিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি ইলিয়াছ পাটওয়ারীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি এই বিষয়টি শুনেছি।  ইউসুফের কাছে যে চাঁদা চেয়েছে তার সত্যতা প্রমাণিত হলে দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে। দল কোন ব্যক্তির অপকর্মের দায়ভার নিবে না।

‎উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক রহমত উল্লাহ জিকু বলেন, আরিফের উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড যুবদলের কোথাও সদস্য-পদ নেই। আমি এই বিষয়টি ফেসবুকে বিভিন্ন পোস্টে দেখেছি।  আমাকে সে কিছুই বলে নাই। আমাদের মনোহরগঞ্জে যুবদলে কোন সন্ত্রাস, চাঁদাবাজের ঠাই নাই। চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। তার বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হলে দলীয় ফোরামে আলোচনা করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রিপোর্টার্স২৪/মিতু 

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪