স্টাফ রিপোর্টার: অমর একুশের বইমেলার প্রথম শিশুপ্রহর অনুষ্ঠিত হয়েছে শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি)। সকাল থেকেই শিশুপ্রহর প্রঙ্গণ নতুন বইয়ের ঘ্রাণ, ছবি আঁকার প্রতিযোগিতা, প্রিয় চরিত্রের গল্প ও নানা আয়োজন নিয়ে মুখর হয়ে ওঠে।
বইমেলার দ্বিতীয় দিন হওয়ায় সকাল ১১টা থেকে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত হয় মেলার দুয়ার। শিশুদের জন্য বিশেষভাবে আয়োজন করা শিশুপ্রহর চলেছে দুপুর ১টা পর্যন্ত। বাবা-মায়ের সঙ্গে আসা অনেক শিশু চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং বিভিন্ন বইয়ের দোকান ঘুরে বই দেখেছে। স্টলগুলোর সামনে ভিড় চোখে পড়েছে; কেউ নতুন গল্পের বই উল্টেপাল্টে দেখছে, কেউ প্রিয় লেখকের বই খুঁজছে, আবার কেউ মগ্ন হয়ে পাপেট শো দেখছে। মেলার নির্ধারিত মঞ্চে গল্প বলা ও ছড়া আবৃত্তির আয়োজনও করা হয়েছে।
শিশুদের নিয়ে আসা অভিভাবকরা বলেছেন, ছোটবেলা থেকেই বইয়ের প্রতি আগ্রহ তৈরি করতে এমন আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ। ডিজিটাল ডিভাইসের প্রতি ঝোঁক কমিয়ে বইমুখী পরিবেশ শিশুদের জন্য অনন্য সুযোগ তৈরি করে।
সিসিমপুর নেই, শিশুদের হতাশা
বইমেলায় শিক্ষামূলক পাপেট শো সিসিমপুরের জনপ্রিয় চরিত্রগুলো হালুম, শিকু, ইকরি, টুকটুকি উপস্থিত নেই, যা অনেক শিশুর জন্য হতাশাজনক। বাবা-মায়ের সঙ্গে আসা মাইশা হক বলেন, সিসিমপুর আমার অনেক ভালো লাগে, টিভিতে দেখি। কিন্তু এবার মেলায় ওরা নেই, তাই ভালো লাগছে না।
আরেক শিশু রাইদ আফনান বলেছেন, সিসিমপুরের হালুম নেই, ভালো লাগে না। অন্য পুতুলও আছে, ওরাও ভালো, কিন্তু হালুমের মতো না।
রোদে দাঁড়িয়ে পাপেট শো দেখা নিয়ে অভিযোগ
কিছু অভিভাবক অভিযোগ করেছেন, শিশুরা পাপেট শো দেখতে দীর্ঘ সময় রোদে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে, তাই মেলায় ছাউনি ব্যবস্থা থাকা উচিত তবুও সব অভিযোগের মাঝেও শিশুপ্রহর হয়ে উঠেছে আনন্দ, কৌতূহল ও বইয়ের প্রতি ভালোবাসায় ভরপুর এক উৎসবমুখর পরিবেশ।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি