স্টাফ রিপোর্টার: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারের সময় শেষ হয়েছে আজ মঙ্গলবার(১০ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে সাতটায়। ভোটের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি শনিবার বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত সব ধরনের জনসভা, শোভাযাত্রা ও মিছিলে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসির জনসংযোগ পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিক মঙ্গলবার এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৭৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভোটগ্রহণ শুরুর পূর্ববর্তী ৪৮ ঘণ্টা এবং ভোটগ্রহণ সমাপ্তির পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা,এই সময়সীমার মধ্যে নির্বাচনী এলাকায় কোনো ধরনের সভা, মিছিল বা শোভাযাত্রা করা যাবে না। সে অনুযায়ী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে এবং শেষ হবে বিকেল সাড়ে ৪টায়। এদিন একযোগে ২৯৯টি সংসদীয় আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীর এক প্রার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় শেরপুর-৩ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাতিল করে নির্বাচন কমিশন।এবারের নির্বাচনে ৫০টি রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে। মোট প্রার্থী রয়েছেন ২ হাজার ৩৪ জন। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৭৬ জন।
রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২৯১ জন প্রার্থী।এর পরেই রয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, যারা হাতপাখা প্রতীক নিয়ে ২৫৮ জন প্রার্থী দিয়েছে।বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ২২৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে। জাতীয় পার্টি (জাপা)র ১৯৮ জন প্রার্থী নির্বাচন করছেন লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে।এ ছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)র ৩২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে।স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে ৭৬ জন নির্বাচন করছেন ফুটবল প্রতীক নিয়ে।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি