| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

জিপিএ-৫-এর সঙ্গে চাঁদপুরের সেরা তিন, স্বপ্ন চিকিৎসক-প্রকৌশলী-জ্যোতির্বিজ্ঞানী হওয়ার

reporter
  • আপডেট টাইম: অগাস্ট ১২, ২০২৬ ইং | ০৩:০২:৫৮:পূর্বাহ্ন  |  ১৬৫১ বার পঠিত
জিপিএ-৫-এর সঙ্গে চাঁদপুরের সেরা তিন, স্বপ্ন চিকিৎসক-প্রকৌশলী-জ্যোতির্বিজ্ঞানী হওয়ার

চাঁদপুর প্রতিনিধি: চাঁদপুর জেলায় জিপিএ-৫ অর্জনের পাশাপাশি সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে তিন শিক্ষার্থী-রূপকথা সাহা জয়া, নাফিমুল হাসান নিহাল ও মারিয়া মাহজাবিন খান।

সোমবার (১০ আগস্ট) কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

ফল প্রকাশের পর মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) জেলার সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত এই তিন কৃতী শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা হয় তাদের সাফল্য, পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে। তিনজনই ভালো ফলাফলের পাশাপাশি নিজেদের পছন্দের ক্ষেত্রে উচ্চশিক্ষা নিয়ে দেশের মানুষের জন্য কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।

জেলার সেরা রূপকথা, হতে চান চিকিৎসক : চাঁদপুর জেলায় সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে মাতৃপীঠ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী রূপকথা সাহা জয়া। জিপিএ-৫ পাওয়ার পাশাপাশি তার প্রাপ্ত নম্বর ১ হাজার ২০৯। ভবিষ্যতে চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে চান রূপকথা।

রূপকথার বাবা চাঁদপুর সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষক অধ্যাপক জীবন কানাই সাহা। মা রূম্পা রানী সাহা গৃহিণী। পরিবারের সঙ্গে চাঁদপুর শহরের মিশন রোড বাগানবাড়ী এলাকার ইন্দ্রলোক নামের বাসায় থাকেন তিনি।

দ্বিতীয় নাফিমুল, স্বপ্ন কম্পিউটার প্রকৌশলী হওয়ার : চাঁদপুর জেলায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে আল-আমিন একাডেমি স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নাফিমুল হাসান নিহাল। জিপিএ-৫ অর্জনের পাশাপাশি তার প্রাপ্ত নম্বর ১ হাজার ২০২। নিহাল ভবিষ্যতে কম্পিউটার বিজ্ঞানে উচ্চশিক্ষা নিয়ে প্রকৌশলী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান।

নিহালের বাবা মঞ্জুরুল আলম চট্টগ্রামে মৎস্য ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। মা নাছিমা বেগম গৃহিণী। পরিবারের সঙ্গে চাঁদপুর শহরের জোড়পুকুর পাড় এলাকায় বসবাস করেন নিহাল। তাদের গ্রামের বাড়ি হাইমচর উপজেলার দক্ষিণ আলগী গ্রামের খলিফা বাড়ি।

তৃতীয় মারিয়া, জ্যোতির্বিজ্ঞানে গবেষণার স্বপ্ন :  জেলায় তৃতীয় সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে আল-আমিন একাডেমি ছাত্রী ক্যাম্পাসের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মারিয়া মাহজাবিন খান। জিপিএ-৫ অর্জনের পাশাপাশি তার প্রাপ্ত নম্বর ১ হাজার ১৯৯। ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে জ্যোতির্বিজ্ঞানে গবেষক হতে চান মারিয়া। গবেষণার মাধ্যমে মানুষের কল্যাণে কাজ করার স্বপ্নও রয়েছে তার।

মারিয়ার বাবা মো. মোশতাক আহমেদ খান একজন ব্যবসায়ী। মা শেখ খাদিজা বেগম ফরক্কবাদ ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক। বাবা-মায়ের সঙ্গে মারিয়া চাঁদপুর শহরের হাজী মহসীন রোডের প্রিমিয়ার টাওয়ারে বসবাস করেন।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪