| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

শিক্ষা-স্বাস্থ্য ও জ্বালানি খাতকে স্বনির্ভর করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে

reporter
  • আপডেট টাইম: অগাস্ট ০৮, ২০২৬ ইং | ১৫:০৩:৪৮:অপরাহ্ন  |  ৬৭৭ বার পঠিত
শিক্ষা-স্বাস্থ্য ও জ্বালানি খাতকে স্বনির্ভর করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার: সরকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জ্বালানিসহ প্রতিটি খাতকে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও স্বনির্ভর করতে বাস্তবমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

শনিবার (৮ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত চিকিৎসক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, দেশের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাব্যবস্থাকে আধুনিক ও স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে বর্তমান সরকার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো স্বাস্থ্য খাতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দিয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে পর্যায়ক্রমে এই বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি জানান, যত দ্রুত সম্ভব ই-হেলথ কার্ড চালুর কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে ১০১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন দিয়ে স্বাস্থ্য খাতে কাঙ্ক্ষিত সফলতা অর্জন সম্ভব নয়; চিকিৎসকদের সেবার মানসিকতা নিয়ে দায়িত্ব পালনে নিবেদিত থাকতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের চিকিৎসাসেবা নীতির অন্যতম মূলনীতি হলো ‘প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর’। মানুষকে রোগের কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে শুরুতেই সচেতন করা গেলে অনেক রোগ প্রতিরোধ ও নিরাময় সম্ভব। এ লক্ষ্যে বিদ্যমান ব্যবস্থার পাশাপাশি নতুন করে আরও এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নতুন স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করার পাশাপাশি যথাযথ প্রশিক্ষণ দিতে চিকিৎসকদের নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

রাজনীতিতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও পেশাজীবীদের সম্পৃক্ততার বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত যেহেতু প্রায় সব কাজকে প্রভাবিত করে, তাই নিজ নিজ মতাদর্শ অনুযায়ী রাজনৈতিকভাবে সচেতন বা সংগঠিত থাকা অযৌক্তিক নয়। তবে অতিমাত্রায় রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা যেন পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি না করে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি বলেন, প্রথাগত রাজনীতির বাইরে এসে রাজনীতির গুণগত পরিবর্তন এখন সময়ের দাবি।

চিকিৎসকদের দায়িত্ব পালনের নানা সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিছু ক্ষেত্রে অনিচ্ছাকৃত অবহেলা বা দায়িত্ব পালনে শৈথিল্য সরকারের সামগ্রিক কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করার পাশাপাশি চিকিৎসক ও চিকিৎসাব্যবস্থা সম্পর্কে জনগণের মধ্যে অনাস্থা তৈরি করে। এ কারণে জনগণ ও চিকিৎসকদের কাছ থেকে আরও দায়িত্বশীল ও মানবিক ভূমিকা প্রত্যাশা করেন তিনি।

সবশেষে তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি মানুষ যাতে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পায় এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখী হতে না হয়, সে লক্ষ্যেই সবাইকে মিলে একটি চিকিৎসাবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।

রিপোর্টার্স২৪/রাফিদ


ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪