| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিল করে স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা চায় সরকার: নাহিদ ইসলাম

reporter
  • আপডেট টাইম: এপ্রিল ০৪, ২০২৬ ইং | ১৯:১০:৩১:অপরাহ্ন  |  ৩১৩৬০২ বার পঠিত
গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিল করে স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা চায় সরকার: নাহিদ ইসলাম

সিনিয়র রিপোর্টার: জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, দেশের পরিস্থিতি নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ইঞ্জিনিয়ারিং করে বিএনপির হাতে ক্ষমতা দিয়ে চলে গেছে। এখন মূল অধ্যাদেশগুলো বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে দলটি। সংস্কার প্রশ্নে ড. ইউনূসকেও মাঠে নামার আহ্বান জানাই। তার সরকারের উপদেষ্টাদেরও এ নিয়ে মুখ খুলতে হবে। 

শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে সৌদি আরব থেকে পবিত্র ওমরাহ পালন শেষে শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি । 

তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলো বাতিল করে স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা কায়েম করতে চায় সরকার। তারা গুম ও স্বাধীন মানবাধিকার কমিশনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে ক্ষমতায় আসার পর তাদের মুখোশ উন্মোচন হচ্ছে। অথচ বিগত দিনে ইলিয়াস আলীসহ তাদের অনেক নেতাকর্মীই গুম হয়েছে। আমরা মনে করি, বিচারপতি নিয়োগসহ সামগ্রিকভাবে বিএনপি একটি সংস্কারবিরোধী দল।

তিনি আরও বলেন, গত ১৬ বছরে বিএনপির আন্দোলনে দেশের মানুষ সাড়া দেয়নি। কারণ তাদের সব কর্মসূচি ছিল দলীয়। তারা জনগণের আন্দোলন করতে পারেনি। তাদের শীর্ষ নেতৃত্ব ছিল দেশের বাইরে। তাই তাদের নেতাদের প্রতি মানুষের আস্থা ছিল না। কারণ তারা জানতো বিএনপি আসলে মৌলিক সংস্কার হবে না। নির্বাচনের পর ঠিকই তাদের মুখোশ উন্মোচন হচ্ছে।

তিনি বলেন, কোনও কিছুকেই তোয়াক্কা করছে না ক্ষমতাসীন দল। প্রথমত গণভোটের গণরায়কে তারা বাতিল করেছে। সংস্কার প্রশ্নে নতুন নতুন অজুহাত দিচ্ছে। অথচ দেশের ৭০ শতাংশ জনগণ সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে। আর আমরা বলেছিলাম, শুধু ক্ষমতা পরিবর্তনের জন্যই গণঅভ্যুত্থান হয়নি। নেতৃত্বের আমূল সংস্কারের জন্যই ছাত্র-জনতা জীবন দিয়েছে। আমরা আসা করবো, তারা মানুষের অনুভূতিকে বিবেচনায় নেবে। না হলে জনগণের জন্য আমরা আমাদের করণীয় নির্ধারণ করে এগিয়ে যাব।

বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ বলেন, জাতীয় সংসদে এক ধরনের নাটক হচ্ছে। সংসদে রাষ্ট্রপতি ভাষণ দিয়েছেন। অথচ এই রাষ্ট্রপতির থাকারই কথা না। আমরা মনে করি, সংবিধানের মৌলিক পরিবর্তনে গণপরিষদ প্রয়োজন।

তিনি বলেন, সম্ভাব্য অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবিলা করতে রাজনৈতিক ঐক্য জরুরি। না হলে সরকার টিকবে না। 

তিনি অভিযোগ করেন, নিয়ম কানুনের বেড়াজালে মূল আলোচনা থেকে সবাই সরে যাচ্ছে। এসব কারণে আমরা রাজপথে নেমেছি।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪