ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের জলসীমায় কুয়েতের একটি ট্যাংকার জাহাজ ইরানের ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে।সোমবার (৩০ মার্চ) এ হামলা চালিয়েছে ইরান।
দুবাই জানিয়েছে, ড্রোন হামলার কারণে জাহাজটিতে আগুন ধরে যায়। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ভোরে কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় সে আগুন নেভানো হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টা পরই এ হামলার ঘটনা ঘটল।
ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছিলেন, ইরান যদি হরমুজ প্রণালি খুলে না দেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্র ও তেলের খনিগুলো ধ্বংস করে দেবে।
‘আল-সালমি’ নামের কুয়েতি জাহাজে এ হামলা সে উত্তেজনারই সবশেষ উদাহরণ। মাসব্যাপী চলা এ যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে কয়েক হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং জ্বালানি সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিকে বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
কুয়েতের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কুনা (কেইউএনএ) জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই বন্দরে নোঙর করা অবস্থায় আল-সালমি জাহাজটিতে ইরানি হামলা হয়। এতে জাহাজটির মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান কুয়েত পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (কেপিসি) ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি সাগরে তেল ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে বলে সতর্ক করেছে।
দুবাই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নৌ-অগ্নিনির্বাপক দল ড্রোন হামলায় লাগা আগুন সফলভাবে নিভিয়ে ফেলেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এতে কেউ হতাহত হয়নি এবং জাহাজের ২৪ জন ক্রু সদস্যই নিরাপদ আছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজটির ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে কাজ চলছে বলে জানিয়েছে কেপিসি। বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, জাহাজটি কুয়েত ও সৌদি আরব থেকে ২০ লাখ ব্যারেল তেল নিয়ে চীনের চিংদাও বন্দরের দিকে যাচ্ছিল।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, সিএনএন
রিপোর্টার্স২৪/এন এইচ