| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান খালেদা জিয়ার স্মৃতিচারণে অস্রুসিদ্ধ: সুলতান মাহমুদ বাবু এমপি

reporter
  • আপডেট টাইম: মার্চ ২৬, ২০২৬ ইং | ১৪:৪০:৪৪:অপরাহ্ন  |  ৪২০১১৮ বার পঠিত
স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান খালেদা জিয়ার স্মৃতিচারণে অস্রুসিদ্ধ: সুলতান মাহমুদ বাবু এমপি

জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের ইসলামপুরে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জামালপুর-২ আসনের এমপি এ.ই সুলতান মাহমুদ বাবু। 

স্বাধীনতা দিবসে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে অঝোর ধারায় কেঁদেছেন সুলতান মাহমুদ বাবু। 

 বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে  উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত ইসলামপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্বাধীনতা দিবস ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে হৃদয়বিদারক এই ঘটনা ঘটে। 

সুলতান মাহমুদ বাবু এমপি কান্নাজণিত কণ্ঠে তার বক্তব্য বলেন, '২০০২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের এই উপজেলায় উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করতে এসেছিলেন। তখন আমি এমপি ছিলাম। আজও আমি এমপি। কিন্তু গণতন্ত্রের মা আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ বেঁচে নেই। যদি তিনি বেঁচে থাকতেন, আবারও এই এলাকায় আসতেন। যার ফলে এই এলাকায় উন্নয়নের ব্যাপক হারে বেড়ে যেতো।'

 সুলতান মাহমুদ বাবু বলেন, 'বেগম খালেদা জিয়া আমার মা সমতূল্য। আমি তাকে মা বলেই ডাকতাম। বিগত সরকার আমার মায়ের ওপর অমানবিক নির্যাতন করেছেন। তাঁকে এক কাপড়ে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে।

অন্যায়ভাবে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল দিয়েছিলো। তার দুই সন্তানের ওপরও নির্যাতনের স্টিমরোলার চালিয়েছিলো ১/১১ সরকার। 

কিন্তু মহান আল্লাহ তায়ালা তারেক রহমানকে আজ দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেছেন । বেগম খালেদা জিয়ার কথা বলতে গেলেই অস্রুসিদ্ধ হয়ে পড়ি।' তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশ্যে বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আপনাদের জীবন মান উন্নয়নের জন্য মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করে ছিলেন। 

তিনি আরও বলেন, 'এই এলাকায় বিগত দিনে যারা এমপি-মন্ত্রী ছিলেন, তারা উন্নয়ন করেননি। কিন্তু আমার কাজই হচ্ছে দলমত-নির্বিশেষে উন্নয়ন সাধিত করা। এলাকাবাসী ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে আমাকে বিজয় করে জাতীয় সংসদ পাঠিয়েছেন। আমি উন্নয়নের মাধ্যমে তাদের এই ঋণের বদলা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।' আমার এখন বয়স হয়েছে। আর ভোটের প্রয়োজন নেই। ভোট মানুষের পবিত্র আমানত। আর উন্নয়ন হচ্ছে ছদকায়ে জারিয়া। বাকি জীবন এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের সেবা করে বিদায় নিতে চাই। তিনি আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নেতৃত্বে ইসলামপুরকে মডেল উপজেলায় রূপান্তর করতে চাই। চাই সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা। 

দিবসটি উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী (কর্মকর্তা) নাজমুল হুসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রেজোয়ান ইফতেকার, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নবী নেওয়াজ খান বিপুল, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নবাব, উপজেলা বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা আব্দুল ওয়াহাব মাস্টার এবং পৌর বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম ঢালী। 

অনুষ্ঠানে উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ, স্থানীয় বিএনপিসহ অঙ্গ-সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।



রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪