শেরপুর প্রতিনিধি: শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলায় প্রশাসনের জব্দ করা একটি এসকেভেটর (ভেকু মেশিন) রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে গেছে। এ ঘটনায় দায়িত্বে থাকা দুই গ্রাম পুলিশকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
জানা গেছে, গত ৪ মার্চ দুপুরে উপজেলার খরিয়াকাজির চর ইউনিয়নের খরিয়া (গলাকাটা) এলাকায় প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই মাটি খনন করে জমির শ্রেণি পরিবর্তনের অভিযোগে একটি ভেকু মেশিন জব্দ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনীষা আহম্মেদ। পরে মেশিনটি ট্রাক ভাড়া করে উপজেলা পরিষদে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়।
ইউএনওর নির্দেশে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সিএ) ইনসান আলীকে মেশিনটি পরিবহনের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এ সময় খরিয়াকাজির চর ইউনিয়নের দুই গ্রাম পুলিশকে পাহারার দায়িত্ব দেওয়া হয়।
কিন্তু ওই দিন রাত আনুমানিক ৮টার দিকে জব্দ করা ভেকু মেশিনটি রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে যায়। বিষয়টি জানাজানি হলে পরদিন ৫ মার্চ দায়িত্বে থাকা গ্রাম পুলিশ আব্দুল বাছিদ ও ওয়াজকুরুনিকে শোকজ করা হয়।
গ্রাম পুলিশ আব্দুল বাছিদ জানান, তিনি ও আরেক গ্রাম পুলিশ ভেকু মেশিনটি পাহারা দিচ্ছিলেন। সন্ধ্যার পর খাবারের জন্য সাময়িকভাবে সরে গেলে পরে ফিরে এসে দেখেন মেশিনটি আর সেখানে নেই।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইনসান আলী বলেন, ইউএনও স্যার দুপুরে ভেকু মেশিনটি জব্দ করেন এবং সেটি ট্রাক ভাড়া করে উপজেলায় আনার নির্দেশ দেন। পরে রাতে শুনতে পাই মেশিনটি সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনীষা আহম্মেদ বলেন, ৪ মার্চ দুপুরে ভেকু মেশিনটি জব্দ করা হয়েছিল এবং পাহারার জন্য দুই গ্রাম পুলিশকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু রাতে মেশিনটি সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে দুই গ্রাম পুলিশকে শোকজ করা হয়েছে।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি