বাগেরহাট প্রতিনিধি: বাগেরহাট শহরের পূবালী ব্যাংক পিএলসি-এর লকার (ভল্ট) থেকে সুমন কুমার দাস নামে এক ব্যবসায়ীর অন্তত দুইশ ভরি স্বর্ণালংকার গায়েব হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে বাগেরহাট শহরের খানজাহান আলী সড়কের শাখায় এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনা জানাজানি হলে বিকেলে বাগেরহাটের পুলিশ সুপার হাছান চৌধুরী ব্যাংকটি পরিদর্শন করেন। ব্যাংকের সুরক্ষিত লকার থেকে কীভাবে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার খোয়া গেল, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
স্বর্ণালংকার খোয়া যাওয়া ব্যবসায়ী সুমন কুমার দাসের বাড়ি বাগেরহাট শহরের দশানী এলাকায়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সুপারি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।
সুমন কুমার দাস জানান, পূবালী ব্যাংকে তার একটি লকার রয়েছে। সেখানে গত বছরের ১৫ অক্টোবর তার মা, খালা, ভাই, স্ত্রীসহ কয়েকজন আত্মীয়ের দুইশ ভরির বেশি স্বর্ণালংকার জমা রাখেন। বুধবার তাদের বাড়িতে একটি অনুষ্ঠান থাকায় তিনি ব্যাংকে এসে লকার খুলে দেখেন ভেতরে কোনো স্বর্ণালংকার নেই। লকার সম্পূর্ণ খালি। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানালে তদন্ত শুরু হয়।
ব্যাংকের আরেক গ্রাহক মাহফুজুর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে ব্যাংকের সুরক্ষিত লকার থেকে এক গ্রাহকের স্বর্ণালংকার গায়েব হওয়ার খবর পেয়ে তিনি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তারও ওই ব্যাংকের লকারে স্বর্ণালংকার রাখা রয়েছে। তাই তিনি এসে নিজের লকার খুলে পরীক্ষা করেন। তবে তার স্বর্ণালংকার অক্ষত রয়েছে।
পূবালী ব্যাংক পিএলসি বাগেরহাট শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মো. মনিরুল আমিন বলেন, এক গ্রাহক অভিযোগ করেছেন যে তার কিছু মালামাল লকারে রাখা ছিল, যা এখন পাওয়া যাচ্ছে না। এ ঘটনার পরপরই পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।
বাগেরহাট সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামীম হোসেন জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে তারা ব্যাংকের লকার পরিদর্শন করেছেন। কীভাবে সুরক্ষিত লকার থেকে এত বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার খোয়া গেল, তা গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রিপোর্টার্স২৪/এসএন