| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

অনুমোদনবিহীন সিসা লাউঞ্জ বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ

reporter
  • আপডেট টাইম: মার্চ ০৩, ২০২৬ ইং | ১৭:৪৫:২৯:অপরাহ্ন  |  ৬০৭০৪০ বার পঠিত
অনুমোদনবিহীন সিসা লাউঞ্জ বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত

স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান-বনানীর অনুমোদনবিহীন মাদক সিসা ও সিসা লাউঞ্জ বন্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি আনোয়ারুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

ডিএমপি কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।

এর আগে গত ১৮ জানুয়ারি রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান-বনানীর অনুমোদনবিহীন মাদক সিসা ও সিসা লাউঞ্জ বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে রিট করা হয়।

রিটে স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের আইজি, র‌্যাব প্রধান, ডিএমপি কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

গত ৮ জানুয়ারি রাজধানীর অভিজাত এলাকায় অনুমোদনবিহীন মাদক সিসা ও সিসা লাউঞ্জ বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশে পত্রিকায় প্রকাশিত এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন সংযুক্ত করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজধানীর গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি ও উত্তরার মতো অভিজাত এলাকায় রাত গভীর হলে জমে ওঠে গোপন আড্ডা। বাইরে থেকে ক্যাফে বা লাউঞ্জ মনে হলেও ভেতরে এগুলো রূপ নেয় সিসা বারে। সেখানে তামাকজাত সিসার সঙ্গে ব্যবহার হয় নানা ধরনের মাদক। অনেক জায়গায় চলে অনৈতিক কার্যক্রমও। অথচ দেশে সিসা বার পরিচালনার কোনো বৈধ অনুমতি নেই। আইন স্পষ্টভাবে নিষেধাজ্ঞা দিলেও কার্যকর তদারকির অভাবে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বেড়ে চলেছে এ সংস্কৃতি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, বাংলাদেশে সিসা বা হুক্কা কোনোভাবেই বৈধ নয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এ বিষয়ে অনুমতি দেয় না। তবুও রাজধানীতে একশর বেশি সিসা বার চালু আছে। এর মধ্যে অন্তত ৫০টি তরুণ-তরুণীদের আড্ডাস্থলে পরিণত হয়েছে।

সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলে এ আসর। উচ্চ শব্দে বাজে সংগীত, ধোঁয়ার সঙ্গে মিশে থাকে অ্যালকোহলের গন্ধ। অনেক সময় সিসার সঙ্গে মেশানো হয় ইয়াবা, গাঁজা, ফেনসিডিল কিংবা লিকুইড কোকেন। শুধু মাদক নয়, রাজধানীর অনেক সিসা বারে তৈরি করা হয়েছে আলাদা কেবিন। বাইরে থেকে সাধারণ বসার জায়গার মতো মনে হলেও ভেতরে থাকে সাউন্ডপ্রুফ কক্ষ। নির্দিষ্ট গ্রাহকেরাই সেখানে প্রবেশাধিকার পান। ঘণ্টাভিত্তিক ভাড়া নিয়ে কেবিনে সরবরাহ করা হয় সিসা, অ্যালকোহল ও অন্যান্য মাদক। এর সঙ্গে চলে অনৈতিক কার্যক্রমও।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪