রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র সরকার গত ২১ জানুয়ারি ২০২৬ সাল থেকে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী (ইমিগ্র্যান্ট) ভিসা প্রদান স্থগিত করেছে। এই সিদ্ধান্ত ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস সোমবার (২ মার্চ) তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে নিশ্চিত করেছে।
কীভাবে প্রভাব পড়বে
স্থগিতাদেশ অনুযায়ী ইমিগ্র্যান্ট ভিসা- অর্থাৎ যারা যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাস বা ‘গ্রিন কার্ড’ পেতে চান তাদের জন্য ভিসা ইস্যু প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। বর্তমানে এই ভিসাগুলো দেওয়া হচ্ছে না।
তবে পর্যটক বা অন্যান্য স্বল্পমেয়াদি (নন-ইমিগ্র্যান্ট) ভিসা, যেমন ভ্রমণ, শিক্ষার্থী বা কাজের ভিসার ক্ষেত্রে এই স্থগিতাদেশ প্রযোজ্য নয়।
যারা ইতোমধ্যে আবেদন জমা দিয়েছে কিংবা নির্ধারিত সাক্ষাৎকারের সময় পেয়েছেন, তারা আবেদনটি জমা দিতে ও সাক্ষাৎকারে অংশ নিতে পারবেন, কিন্তু সিদ্ধান্ত নেওয়া বা ভিসা ইস্যু পাওয়ার সম্ভাবনা আপাতত নেই।
কেন এই সিদ্ধান্ত?
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, যেসব দেশের নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সহায়তা বা বেনিফিটে বেশি নির্ভরশীল হয়ে থাকতে পারে, তাদের ক্ষেত্রে ইমিগ্র্যান্ট ভিসা প্রক্রিয়া পুনর্মূল্যায়ন করতে এই স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে। এই পুনর্মূল্যায়নের অবধি নতুন ভিসা ইস্যু করা হবে না।
প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া
বিভিন্ন আইনজীবী ও অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে হাজার হাজার বাংলাদেশির ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া স্থগিত থাকবে, বিশেষ করে যারা পরিবার-ভিত্তিক গ্রিন কার্ডের জন্য দীর্ঘসময় ধরে অপেক্ষা করছেন।
বর্তমানে এটি কতদিন স্থগিত থাকবে বা পরে পুনরায় চালু হবে, তা এখনো স্পষ্টভাবে জানানো হয়নি।
রিপোর্টার্স২৪/আরকে